বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোভিয়েত যুগে যাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যারা কারাভোগ করেছিলেন অথবা যারা বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন, এমন লাখো মানুষের স্মৃতি উদ্ধারে কাজ করে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরিয়াল। তবে আদালতের কৌঁসুলি আলেক্সি জাফিয়ারভ সংগঠনটিকে ‘জনসাধারণের জন্য হুমকি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়নের যে ‘সুবর্ণ অতীত’ রয়েছে তা তুলে না ধরে সেই সময়ের অপরাধগুলো তুলে ধরছে ইন্টারন্যাশনাল মেমোরিয়াল। আর এই কাজটি তারা করছে পশ্চিমাদের স্বার্থে।

এর আগে সংগঠনটিকে ‘বিদেশিদের দালাল’ হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। বিদেশিদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহের কারণে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে এই তকমা দেওয়া হয়েছিল।

ইন্টারন্যাশনাল মেমোরিয়াল প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৮৯ সালে। রাশিয়া তার অতীতকে সামনে আনছে— এর প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হতো সংগঠনটিকে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশকে সেই পুরোনো সময়ে ফিরে নিয়ে যাচ্ছেন যখন সমালোচনা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করত না সরকার।

তবে কৌঁসুলি আলেক্সি জাফিয়ারভ আদালতে বলেন, ইন্টারন্যাশনাল মেমোরিয়াল সামগ্রিকভাবে ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলতে কাজ করছে। প্রধানত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি মুছতে কাজ করছে তারা।

এদিকে আদালতের আদেশের পর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরিয়ালের পক্ষ থেকে বলা বল হয়েছে, তারা আপিল করবে। এ ছাড়া নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য আইনি পথ খুঁজে বের করবে তারা।

ইন্টারন্যাশনাল মেমোরিয়ালের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা কোনো সামাজিক আন্দোলন নয়। অতীতের বিয়োগান্ত ঘটনা জানার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটির দরকার রাশিয়ার নাগরিকদের।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন