মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার দুর্গম এলাকায় মাঙ্কিপক্স খুব পরিচিত রোগ। তবে পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তে এ রোগের উপস্থিতি বিরল। পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের বেশির ভাগই মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকা ভ্রমণ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ওই ব্যক্তি সম্প্রতি ইউরোপ থেকে ফেরার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

গতকাল ইউরোপের দেশ সুইডেনে একজন এবং ইতালিতে একজন রোগী শনাক্ত হন। সুইডিশ কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাঁদের দেশের ওই নাগরিক কীভাবে আক্রান্ত হলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফ্রান্সেও একজন রোগীকে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে, একজন রোগী মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই ব্যক্তি সম্প্রতি কানাডা সফর করেছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল রাতে কানাডায় দুজন রোগী মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্যদেরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ট্রিলের জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, ১৭ জন মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বুধবার পর্তুগালে পাঁচজন ও স্পেনে সাতজন শনাক্ত হয়েছেন। ইউরোপে মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধে কোনো অনুমোদিত টিকা নেই। স্প্যানিশ সংবাদপত্র এল পাইসের তথ্য অনুযায়ী, প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্পেন কর্তৃপক্ষ গুটিবসন্তের টিকা কিনেছে। গুটিবসন্তের মতো একই ভাইরাস পরিবারের সদস্য মাঙ্কিপক্স।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন