বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে এসব ঘটনার ৯০ শতাংশই আটলান্টিক মহাসাগরের নিকটবর্তী স্পেনের ক্যানারি দ্বীপে যাওয়ার পথে ১২৪টি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। ক্যানারি আইল্যান্ড আফ্রিকার নিকটবর্তী হওয়ায় সেখানকার অধিবাসীরা স্পেনে ঢুকতে এ নৌপথ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন। অপর দিকে বাকি ১০ শতাংশ অভিবাসী ভূমধ্যসাগর হয়ে স্পেনে প্রবেশের চেষ্টা করেন।

ওয়াকিং বর্ডারসের প্রতিষ্ঠাতা হেলেন মালেনো বলেন, সাগরে বিপদে পড়ে হেল্পলাইনে ফোন করা অভিবাসী এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তাঁরা এ তালিকা করেছেন। এই অভিবাসীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সেটি নিয়ে তদন্ত করে সংস্থাটি। এতে দেখা গেছে, অন্তত এক মাস নিখোঁজ রয়েছেন, এমন অভিবাসীদের ধরে নেওয়া হয়, তিনি বেঁচে নেই। নিখোঁজ ব্যক্তিদের প্রায় ৯৫ শতাংশেরই এ সময়ে কোনো সন্ধান পাওয়া যায় না।

অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বলছে, ২০২১ সালে ক্যানারি দ্বীপে প্রবেশে চেষ্টাকালে ৯৫৫ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ২০১৪ সালের পর এটি ক্যানারি দ্বীপে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।

সরকারি তথ্য, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন, ওয়াকিং বর্ডারসসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে আইওএম এসব তথ্য সংগ্রহ করে। আইওএমের দাবি, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এ ছাড়া নিজেদের উপকূলে প্রবেশকালে যাঁদের মৃত্যু হয়, তাঁদের কোনো তথ্য স্পেন রাখে না। এমনকি স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ বিষয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করতেও অস্বীকৃতি জানান।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন