সিএনএন জানায়, জীবিত সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে স্পাইক। গত ৭ ডিসেম্বর স্পাইকের বয়স হয় ২৩ বছর ৭ দিন। প্রায় ৯ ইঞ্চি লম্বা আর ওজন ৬ কেজি থেকে সামান্য কম। প্রায় ১৩ বছর আগে স্পাইককে কুড়িয়ে পাওয়ার সময় তার বয়স আনুমানিক ১০ বছর ছিল বলে মনে করা হয়।

‘জিমি ফ্যালন’ সিরিজের একটি পর্বে রিতা দেখেন, আগের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর ছিল ‘পেবলস’। ২০২২ সালের অক্টোবরে ২২ বছর বয়সে মারা যায় কুকুরটি। এতে স্পাইকই জীবিত সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর বলে তাঁর মনে হয়েছে। এরপর তিনি গিনেস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রিতা বলেন, ‘আমাদের পরিবারের প্রায় সবাই জানত স্পাইকের অনেক বয়স। কিন্তু তার যে রেকর্ড গড়ার মতো বয়স হয়েছে, সেটা কেউ বুঝতে পারেননি।’ সে এখন রেকর্ডধারী, তাঁরা স্পাইককে রীতিমতো তারকা হিসেবে দেখছেন।

স্পাইক বন্ধুসুলভ বলে জানান রিতা। তিনি বলেন, দেখতে ছোটখাটো হলেও সে বড় কুকুরের মতোই আচরণ করে। অবশ্য তিনি বলেন, স্পাইক এখন প্রায় অন্ধ, কানেও তেমন শোনে না। এ জন্য একা থাকতেই পছন্দ করে।