আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার কিলো ক্লাস সাবমেরিনগুলো ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোলে অবস্থিত নৌঘাঁটির বদলে দেশটির মূল ভূখণ্ডে ক্রাসনোদারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ তথ্য ‘প্রায় নিশ্চিত’।

যুক্তরাজ্য বলছে, ইউক্রেনীয় বাহিনীর দূরপাল্লার হামলার সক্ষমতা বেড়েছে। গত দুই মাসে রুশ সাবমেরিন বহরটির কয়েকটি স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে। এতে করে নিরাপত্তাসংক্রান্ত হুমকির মুখে পড়েছে তারা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাবমেরিনগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা তাদের।

৬ সেপ্টেম্বর থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে রাশিয়া। রুশ বাহিনীকে হটিয়ে খারকিভ অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন ইউক্রেনের সেনারা। ইউক্রেনের হামলার মুখে নিজেদের ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও গোলাবারুদ ফেলে খারকিভ থেকে পালিয়েছেন রাশিয়ার কয়েক হাজার সেনা।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, খারকিভ থেকে রুশ সেনাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যুদ্ধের জন্য তাঁদের অন্য কোথাও কাজে লাগানো হবে। আর ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে সম্প্রতি পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সামরিক হামলার মাধ্যমে এর কড়া জবাব দেওয়া হবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন