এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী ২৪ ঘণ্টায় ইতালির সিসিলি দ্বীপে বিভিন্ন বন্দরে পৌঁছান বলে জানানো হয়েছে। ইতালির কর্মকর্তারা বলেছেন, ক্যালাব্রিয়া উপকূলে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি মাছ ধরার নৌকা থেকে ৬৭৪ জনকে জীবিত ও ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সময় গত শনিবার ১৫টি নৌকা থেকে আরও ৫২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধারের পর দক্ষিণ ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নৌকাগুলো এসেছে আফ্রিকার লিবিয়া ও তিউনিসিয়া উপকূল থেকে। ইউরোপে পৌঁছাতে ইচ্ছুক অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ল্যাম্পেদুসা অন্যতম প্রধান বন্দর।

ইতালির বিভিন্ন বন্দর থেকে উদ্ধার হওয়া এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সুদান, ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার নাগরিকেরা রয়েছেন।
ইতালির গণমাধ্যমগুলোতে প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বহু অভিবাসনপ্রত্যাশী আসায় দ্বীপে থাকা অভিবাসনকেন্দ্রটি জনাকীর্ণ হয়ে উঠেছে।
বার্তা সংস্থা আনসা জানিয়েছে, ওই অভিবাসনকেন্দ্রে ৩৫০ জনের থাকার ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে সেখানে আছেন ১ হাজার ১৮৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। বিবিসি বলছে, ইতালির কোস্টগার্ড ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো প্রতিবছর ভূমধ্যসাগর থেকে জীবিত বা মৃত শত শত অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার করে থাকে।

অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান একটি বিপজ্জনক পথ ভূমধ্যসাগর। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের হিসাবে ২০২১ সালে ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে নৌকাডুবিতে ৩ হাজার ২৩১ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন নয়তো নিখোঁজ হয়েছেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন