সামরিক আইন জারির ফলে এসব এলাকার জনসাধারণের চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সামরিক আইন কার্যকর হবে। এই আইন কার্যকরের ফলে জাপোরিঝঝিয়া, খেরসন, লুহানস্ক ও দোনেৎস্কের জনসাধারণ চাইলেও আর অন্য এলাকায় যেতে পারবেন না।

এদিকে রুশ ফেডারেশনের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আগে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণ দেন পুতিন। এ সময় ইউক্রেনের এই অঞ্চলগুলোয় যুদ্ধ জোরদার করতে রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কাউন্সিল গঠনের আদেশ দিয়েছেন তিনি।

ওই ভাষণে পুতিন বলেন, ‘এই অঞ্চলে আমাদের মানুষদের সুরক্ষা, রাশিয়ার নিরাপত্তা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমাদের বেশকিছু কঠিন কাজ করতে হচ্ছে। যেসব রুশ নাগরিক যুদ্ধ করছেন, যাঁরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের যে সমর্থন সেটা অনুভব করা উচিত। তাঁরা জানেন, আমাদের বিশাল এ দেশ, মহান এ দেশ এবং একতাবদ্ধ মানুষ তাদের পেছনে আছে।’

পুতিন আরও বলেন, এই অঞ্চলগুলোর সরকারপ্রধানদের জরুরি কিছু ক্ষমতা দেওয়া হবে। তবে কী কী ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, সেটি বলেননি তিনি।

সম্প্রতি এসব অঞ্চল ফিরে পেতে পাল্টাহামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। এ কথা স্বীকার করেছে রাশিয়া। এরপর খেরসন থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপও নিয়েছে দেশটি।