বাল্ডউইন মুঠোফোনে রয়টার্সকে বলেছেন, ইউরোপের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) মোট চাহিদার ১৪ শতাংশ নাইজেরিয়া থেকে আমদানি করা হয়। তবে আমদানির পরিমাণ দ্বিগুণ করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

চুরি ও পাইপলাইন ভেঙে দেওয়ার কারণে নাইজেরিয়া তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তেল ও গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানি করতে পারে না। তাই দেশটির গ্যাস উৎপাদক প্রতিষ্ঠান নাইজেরিয়া এলএনজি বনি দ্বীপের টার্মিনালে সক্ষমতার ৬০ শতাংশ তেল উৎপাদন করতে পারে।

ম্যাথিউ বাল্ডউইন বলেন, ‘আমরা যদি এই পর্যায়ে সেটা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত উৎপাদন বাড়াতে পারি, তাহলে কার্গোতে করে সমুদ্রপথে ইউরোপে আরও বেশি গ্যাস আনা সম্ভব হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা (নাইজেরিয়ার কর্মকর্তারা) আমাদের আগস্টের শেষে আলোচনার জন্য আবার নাইজেরিয়া সফরের আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে সত্যিকার অগ্রগতি হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নাইজেরিয়া।’

নাইজেরিয়ার এনএলজির মালিকানা রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি এমএনপিসি লিমিটেড এবং শেল, টোটাল এনআরজি ও ইনির।

ইউরোপে চলছে গ্যাসসংকট। গত বুধবার ইউরোপীয় কমিশন সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, আগামী আগস্ট থেকে মার্চ পর্যন্ত গ্যাসের ব্যবহার কমানো উচিত ইইউ সদস্যদেশগুলোর। প্রাথমিকভাবে এটা স্বেচ্ছায় করতে হবে। অর্থাৎ, বাধ্যবাধকতা নেই। তবে কমিশন যদি জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে, তাহলে এটা বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে।

বাল্ডইউন বলেছেন, গত বছর ইইউ সদস্য দেশগুলোতে ২ হাজার ৩০০ কিউবিক মিটার গ্যাস রপ্তানি করেছে নাইজেরিয়া। তবে প্রতিবছর নাইজেরিয়া থেকে ইইউতে গ্যাস রপ্তানি কমছে। ২০১৮ সালে নাইজেরিয়া থেকে ৩ হাজার ৬০০ কোটি কিউবিক মিটার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কিনেছিল ইইউ।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন