এই রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে ইতালি কয়েক মাসের স্থিতিশীলতা হারাল। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট দ্রাগি দায়িত্ব পালনকালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দিতে ইউরোপকে সহযোগিতা করেন।
এর আগে গত ১৪ জুলাই পদত্যাগের ঘোষণা দেন দ্রাগি। আস্থা ভোটে নিজ জোটভুক্ত দল ফাইভ স্টারের সমর্থন হারানোর পর তিনি এই ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তখন দ্রাগির পদত্যাগপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট মাত্তারেলা।

ফাইভ স্টার পার্টি চেয়েছিল, ইউক্রেন যুদ্ধ মূল্যস্ফীতিকে যেভাবে উসকে দিয়েছে, তাতে ভুক্তভোগী মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা আরও বাড়ানো হোক। তারা এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক খাতে সাড়ে ১৯ বিলিয়ন পাউন্ডের প্যাকেজ প্রকল্প চেয়েছিল। কিন্তু তাতে রাজি হননি দ্রাগি। মূলত এ নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের দৃশ্যমান অবনতি ঘটে।

প্রেসিডেন্ট পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করায় ফের আস্থা ভোট আনার চেষ্টা করেন দ্রাগি। কিন্তু জোটের তিন শরিক সায় না দিলে সেটা আর সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।

২০১৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোট সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছিল। আগামী বছর ইতালিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন