পোদোলিয়াক বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা করার চাপ দিয়ে বলেছে, ‘সামরিক উপায়ে সবকিছু করা আপনাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। আপনাদের আলোচনায় বসতে হবে।’ এ প্রস্তাবে অসন্তোষ জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এ উপদেষ্টা এএফপিকে বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে আপনি যখন উদ্যমী, তখন এ ধরনের প্রস্তাব কিছুটা উদ্ভট।’

পোদোলিয়াক বলেন, ‘এর অর্থ হচ্ছে, যে দেশ তার অঞ্চল পুনরুদ্ধার করছে, তাকে অবশ্যই পরাজিত একটি দেশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, রাশিয়া কিয়েভকে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেয়নি এবং শুধু সময়ক্ষেপণের জন্য আলোচনাকে ব্যবহার করতে পারে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি ইউক্রেনকে বিবেচনা করতে কিয়েভকে উৎসাহিত করছেন। তবে রাশিয়ার দখলে যাওয়া চার অঞ্চল পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জেলেনস্কি এ প্রস্তাব গ্রাহ্য করবেন না।

এ মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জেনারেল মার্ক মিলি বলেন, সত্যিকার অর্থে বিবেচনা করলে সামরিক উপায়ে কেউই যে জয়ী হবে না—উভয় পক্ষকে (রাশিয়া ও ইউক্রেন) বিষয়টি মেনে নিতে হবে। আলোচনার জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।