দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা করা হয়, রাশিয়ার কাছে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র রয়েছে। গত মার্চে ইউক্রেন ও তাদের মিত্র পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর হাতে ক্রাসুকা–৪ চলে আসায় তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার সুযোগ মেলে। বিদ্যুৎ প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ার্সের (আইইইই) প্রকাশনা ‘স্পেকট্রাম’-এ সম্প্রতি রুশ সেনাদের ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র ও ইউক্রেন যুদ্ধে এর প্রভাব নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ সেনাদের হামলার প্রথম দিকে ইডব্লিউ সিস্টেমগুলো তেমন কোনো কাজে লাগেনি। কিন্তু এখন যুদ্ধের মোড় রাশিয়ার দিকেই ঘুরিয়ে দিচ্ছে এই প্রযুক্তি।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার হামলার মুখে ইউক্রেনের সেনারা শক্ত প্রতিরোধ গড়লেও অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্রের কারণে তাঁরা ঠিকভাবে পেরে উঠছেন না। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ যতই দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের নানা কৌশলের সুবাদে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ক্ষেত্রবিশেষে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যুদ্ধের একাধিক পর্যবেক্ষক বলছেন, আগ্রাসনের শুরুর দিনগুলোর চেয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে এখন বড় ভূমিকা পালন করছে রাশিয়ার ‘ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার (ইডব্লিউ)’ সিস্টেমগুলো।

রুশ সেনারা ক্রাসুকা–৪–এর মতো এত মূল্যবান ইডব্লিউ সিস্টেম ফেলে যাবেন, গত মার্চের আগে তা কারও ধারণায় ছিল না। ওই সময় ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকা দখলে বেশ সফলতা অর্জন করেছিলেন রুশ সেনারা। এমনকি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ দখলের হুমকিও দিচ্ছিলেন। কিন্তু যুদ্ধের পাঁচ মাস পরে এসে দেখা যাচ্ছে, রাশিয়ার প্রাথমিক ওই অগ্রগতির বিষয়টি বড় ধাক্কা খেয়েছে। ক্রাসুকা–৪–এর মতো সিস্টেম রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়াই তার প্রমাণ। পরিত্যক্ত ক্রাসুকা–৪ সিস্টেম আক্রমণের প্রথম কয়েক মাসে রুশ সেনাদের বিস্ময়কর ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে উঠেছিল। যুদ্ধের প্রথম দিকে ইডব্লিউর তেমন প্রভাব ছিল না। তাই প্রশ্ন উঠেছিল, সত্যিই কি যুদ্ধের ফলাফল প্রভাবিত করতে সক্ষম হবে রাশিয়ার বিখ্যাত এই বৈদ্যুতিক সমরাস্ত্রব্যবস্থা?

default-image

ষষ্ঠ মাসে পা দিয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধ। এখন রাশিয়ার পাঁচটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্রিগেডের মধ্যে অন্তত তিনটি ইউক্রেনে মোতায়েন রয়েছে। এখন ন্যাটোর সরবরাহ করা রেডিওর সংকেত সহজেই অভিজ্ঞ রাশিয়ার ইডব্লিউ–চালকেরা শনাক্ত করে ফেলছেন। এ কাজে তাঁদের সহায়তা করছে অতীত অভিজ্ঞতা। এর আগে রুশ ইডব্লিউ–চালকেরা সিরিয়ায় তাঁদের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন। তা এখন কাজে লাগাচ্ছেন ইউক্রেনের মাটিতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক কালের যুদ্ধে ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামরিক বাহিনী রেডিও, রাডার ও ইনফ্রারেড ডিটেক্টরের ওপর নির্ভর করে অপারেশন সমন্বয় করে থাকে। শত্রুকে খুঁজে বের করতেও ইলেকট্রনিক পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়। শত্রুসৈন্যদের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামের সংযোগে বিঘ্ন ঘটানো ছাড়াও নিজস্ব স্পেকট্রাম নিয়ন্ত্রণ ও নিজস্ব যোগাযোগ রক্ষা করতে ইডব্লিউ ব্যবহার করতে দেখা যায়।

রাশিয়া থেকে পূর্ব ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রের দূরত্ব কম হওয়ায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বিশেষায়িত ইডব্লিউ সরঞ্জামগুলো সহজে যুদ্ধক্ষেত্রের কাছে নিতে পারছে। এর ব্যবহারে ড্রোনের কার্যকারিতা কমছে বলে স্বীকার করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইডব্লিউ সক্ষমতার সুবাদে ইউক্রেনের বাহিনীকে খুঁজে বের করে হামলা চালানো সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য। ইউক্রেনীয় সামরিক যোগাযোগের চ্যানেলগুলোতে আড়িপাতার চেষ্টাও সফল হয়েছে রাশিয়ার। ইডব্লিউ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় ড্রোনের রাডার যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে সক্ষম হয়েছে রাশিয়া। ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর কাছে ধরা পড়েনি রুশ বাহিনীর অবস্থান।

রুশ ইলেকট্রনিক সমরাস্ত্রব্যবস্থা

মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরা ইডব্লিউকে ইলেকট্রনিক অ্যাটাক (ইএ), বৈদ্যুতিক সুরক্ষা ও বৈদ্যুতিক সহায়তার (ইএস) যৌথ সমন্বয় সিস্টেম হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ইলেকট্রনিক আক্রমণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে পরিচিত বিষয়টি হচ্ছে জ্যামিং। এ ক্ষেত্রে রেডিও বা রাডার তরঙ্গ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো হয়। উদাহরণ হিসেবে রাশিয়া আর–৩৩০ জেডএইচ জিটেল জ্যামারের কথা বলা যায়। এটি ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ভিএইচএফ ও ইউএইচএফ ব্যান্ডের জিপিএস, কৃত্রিম উপগ্রহের যোগাযোগ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিতে পারে। শত্রুপক্ষকে বিভ্রান্ত করাও ইএর একটি অংশ। এটি সিস্টেম প্রত্যাশিত রাডার বা রেডিও ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে নিজস্ব সংকেত পাঠাতে পারে। এর আগে ২০১৪ সালে আরবি–৩৪১ভি লিয়ার–৩ সিস্টেম ব্যবহার করে পূর্ব ইউক্রেনের স্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ছিনতাই করে নিজস্ব ভুয়া নির্দেশ প্রচার করেছিলেন রুশ সেনারা। এর বাইরে অরল্যান–১০ ড্রোনের মাধ্যমে লিয়ার–৩ ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে পারেন তাঁরা।

ইলেকট্রনিক আক্রমণব্যবস্থার আরেকটি অংশ হলো ইলেকট্রনিক সাপোর্ট (ইএস) সিস্টেম। প্রতিপক্ষের যোগাযোগব্যবস্থাকে পরোক্ষভাবে শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে এটা ব্যবহৃত হয়। প্রতিপক্ষের রাডার বা রেডিওর সম্ভাব্য দুর্বলতা বোঝার জন্য ইএস অপরিহার্য। অধিকাংশ রাশিয়ান ইএ সিস্টেমের সঙ্গেই ইএস সক্ষমতা যুক্ত। এতে দ্রুত সম্ভাব্য জ্যামিং লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হন রুশ সেনারা। এ ছাড়া শত্রুর রেডিও ও সেলুলার যোগাযোগের অবস্থান শনাক্ত করে সেখানকার তথ্য নিজেদের সেনাদের সরবরাহ করতে পারে, যাতে দ্রুত সেখানে গোলা বা রকেট হামলা চালানো যায়। কিছু রুশ সিস্টেমে ইএস বিশেষভাবে যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মস্কোভা–১। এটি নিখুঁতভাবে টিভি ও রেডিও সংকেত ধরতে পারে। এটি জাহাজ বা যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে সাহায্য করে।

default-image

রাশিয়া ইএ ও ইএস অপারেশন পরিচালনার জন্য বিশেষ ইলেকট্রনিক-ওয়ারফেয়ার ইউনিট ব্যবহার করে। এর স্থলবাহিনীতে কয়েক শ সৈন্যের ইডব্লিউ ব্রিগেড পাঁচটি রাশিয়ান সামরিক জেলা পশ্চিম, দক্ষিণ, উত্তর, মধ্য ও পূর্বে নিযুক্ত করা হয়েছে। শত শত কিলোমিটারজুড়ে শত্রুপক্ষের নজরদারির রাডার ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ নেটওয়ার্কগুলোকে ব্যাহত করাই এর লক্ষ্য। ইডব্লিউ ব্রিগেডের কাছে রয়েছে ক্রাসুকা–২, ৪, লিয়ার–৩, মস্কোভা–১ ও মুরমানাস্ক–বিএন সিস্টেম। এ ছাড়া ব্রিগেডের সদস্যদের ছোট আকারের আর–৩৩০জেডএইচ জিটেল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রতিপক্ষের ইএ ও ইএস ঠেকাতে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে রুশ সেনারা ইলেকট্রনিক প্রটেকশন (ইপি) সিস্টেম ব্যবহার করছেন। রেডিও ট্রান্সমিশনকে শনাক্ত করা বা জ্যাম হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য ইপিতে বিশেষ কৌশল ও প্রযুক্তি যুক্ত রয়েছে।

একনজরে রাশিয়ার ইডব্লিউ সিস্টেম

ক্রাসুকা–৪: এক্স-ব্যান্ড এবং কে ইউ-ব্যান্ড রাডারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে। বিশেষ করে যুদ্ধজাহাজ, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং নিচু কক্ষপথের উপগ্রহগুলোর যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত করতে এটি কাজে লাগানো হয়।

ক্রাসুকা–২: এস ব্যান্ড রাডারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। বিশেষ করে আকাশে থাকা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের দুর্বলতা শনাক্ত করে এটি। ক্রাসুকা–৪–এর সঙ্গে এটি ব্যবহার করা হয়।

লিয়ার–৩: সামরিক রেডিও, সেলুলার যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে পারে। কয়েক শ কিলোমিটার পর্যন্ত এটি নেটওয়ার্ক জ্যাম করে দিতে পারে।

৩৩০ জেডএইচ জিটেল: জ্যামারটি ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত জিপিএস ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে পারে। এটি ট্রাক কমান্ড পোস্ট থেকেও চালানো যায়।

মুরমানস্ক–বিএন: দূরপাল্লার যোগাযোগ শনাক্তকরণ ও সামরিক রেডিও জ্যামে ব্যবহার করা হয়।

আর৯৩৪–বি ও এসপিএন ২, ৩, ৪: ওয়্যারলেস যোগাযোগ ও এয়ার টু সারফেস গাইডেন্স কন্ট্রোল রাডার জ্যাম করে দিতে সক্ষম।

রিপিলেন্ট–১: অ্যান্টিড্রোন সিস্টেম।

মস্কোভা–১: শত্রুর জাহাজ ও যুদ্ধবিমানের অবস্থান শনাক্ত করতে পারে।

রুশ কৌশল

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং সেরা সজ্জিত ইডব্লিউ ইউনিট বলে আসছেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরুর পরপরই তাই অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন দ্রুতই ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবেন রুশ সেনারা। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার দখল নেওয়ার পর থেকেই রুশ সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই ইডব্লিউ। দনবাস অঞ্চলেও দীর্ঘদিন ধরেই রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা লিয়ার–৩ ও অরল্যান্ড–১০ ড্রোনব্যবস্থা ব্যবহার করে আসছিলেন। এগুলো ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় বাহিনীর রেডিও যোগাযোগ শনাক্ত এবং তাদের ওপর রকেট হামলা করে আসছিলেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। কিন্তু ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকেই এ যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার চোখে পড়েনি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা ড্রোনবিধ্বংসী ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইউক্রেনের সেনারা শত শত রুশ ড্রোনের জিপিএস সংকেত জ্যামিং করে তা ধ্বংস করেছেন। এরপরই রুশ সেনারা তাঁদের ইডব্লিউর ব্যবহার বাড়িয়ে দেন। লিয়ার–৩ ব্যবহার করে ইউক্রেনের যুদ্ধবিমান শনাক্ত করতে শুরু করেছেন।

সামনে কী

প্রশ্ন হচ্ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে? ক্রেমলিনের ভাগ্য এখন উন্নত হয়েছে। রুশ সৈন্যরা ইউক্রেনের পূর্বে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে লড়াই করছেন। এখন ছড়িয়ে পড়ার বদলে তাঁরা ইডব্লিউর সহায়তায় ইউক্রেনীয় সেনাদের অবস্থান বের করে সেখানে হামলা করছেন এবং সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন। আক্রমণে গতি আনতে বড় ব্রিগেডের বদলে ছোট ছোট দলে সেনাদের ভাগ করা হয়েছে। তাদের বলা হচ্ছে, ব্যাটালিয়ন ট্যাকটিক্যাল গ্রুপ (বিটিজি)। এসব গ্রুপের হাতে আর–৩৩০জেডএইচ জিটেলের মতো স্বল্প দূরত্বে শত্রুসেনার অবস্থান শনাক্তকারী সিস্টেম তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সিস্টেম বাইরাকটার টিবি২এস ও ডিজেআই ম্যাভিক ড্রোনের জিপিএস সংকেত জ্যাম করে দিতে পারে। বিটিজির কাছে থাকা আর–৯৩৪ বি ভিএইচএফ ও এসপিআর–২ জ্যামার দিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর যোগাযোগব্যবস্থাও নষ্ট করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের সেনাদের রয়েছে দুর্বল সিংকগার্স রেডিও সংকেত। এর বাইরে তাঁদের ঝুঁকিপূর্ণ সেলফোন ও রেডিও নেটওয়ার্কে নির্ভর করতে হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া ‘কাউন্টার ড্রোন সিস্টেম’ তাদের কিছুটা সফলতা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইডব্লিউ সিস্টেমও পেয়েছে ইউক্রেন। এগুলোর ব্যবহারও বাড়াতে শুরু করেছে তারা।

ইডব্লিউ নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধের বড় শিক্ষা হচ্ছে, তরঙ্গযুদ্ধে জয়ী হওয়া মানেই যুদ্ধ জয় নয়। তরঙ্গযুদ্ধে রুশ সেনারা এগিয়ে থাকার কারণ হচ্ছে, দ্রুত তাঁদের বিভিন্ন এলাকা দখল করে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। পশ্চিমাদের সমর্থনের ইউক্রেন যদি আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে এবং রাশিয়ার ইলেকট্রনিক ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, তবে মোড় ঘুরে যেতে পারে।

স্পেকট্রাম ও দ্য ভার্জ অবলম্বনে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন মিন্টু হোসেন

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন