যুক্তরাষ্ট্রে সফরে রয়েছেন জেলেনেস্কা। মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই প্রত্যেক মা-বাবা তাদের সন্তানদের যেন এটা বলতে পারে যে ‘যাও, তোমরা শান্তিতে ঘুমাও, আর কোনো বিমান হামলা হবে না, আর কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হবে না।’ বাবা-মায়েদের এই চাওয়া কি অনেক বেশি কিছু?’ সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে লাখ লাখ অভিভাবক ভয়ের মধ্যে রয়েছেন বলেও তিনি জানান। ওলেনা জেলেনেস্কা বলেন, ‘আসছে বসন্তে আমার ছেলে কি স্কুলে ফিরতে পারবে? ইউক্রেনের লাখ লাখ মায়ের মতো আমিও এটা জানি না।’

ফার্স্ট লেডি বলেন, ‘রাশিয়ার রকেট যাতে শিশুদের প্রাণ কেড়ে নিতে না পারে, এ জন্য ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দরকার। ইউক্রেনীয়দের বিরুদ্ধে এই সন্ত্রাস বন্ধে আমাদের সাহায্য করুন।’ তিনি এ সময় মার্কিন আইনপ্রণেতাদের ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া যখন ইউক্রেনে হামলা শুরু করে, তার আগপর্যন্ত জেলেনেস্কা অতটা পরিচিত মুখ ছিলেন না। কিন্তু হামলা শুরুর পরপরই তিনি গোপন আশ্রয়ে যাওয়ার পর আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে কথা বলছেন।

গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওলেনা জেলেনেস্কা। ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং মার্কিন কংগ্রেস উৎসাহী। ইউক্রেনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি অস্ত্র পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত মে মাসেই ইউক্রেনের জন্য চার হাজার কোটির তহবিল বরাদ্দ করে ওয়াশিংটন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন