জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে এটাই যুবরাজ সালমানের প্রথম সফর। ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে সৌদি দূতাবাসে এই সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যা করেন সৌদি আরবের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। তিনি সৌদি রাজতন্ত্রের একজন বড় সমালোচক ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর জাতিসংঘের এক তদন্তে বলা হয়, ‘বিচারবহির্ভূত এই হত্যার জন্য সৌদি আরব দায়ী।’ খাসোগি হত্যা অভিযানের অনুমোদন খোদ যুবরাজই দিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে রিয়াদ।

চলতি মাসের শুরুতেই সৌদি সফরে গিয়ে সালমানের সঙ্গে দেখা করেছেন বাইডেন। এরপর আবার মাখোঁর সঙ্গে তাঁর বৈঠককে ভালোভাবে নিচ্ছেন না অনেকেই। তাঁদেরই একজন মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে মহাসচিক অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।

‘যুবরাজ সালমান ভিন্ন কোনো মত সহ্য করতে পারেন না’—অভিযোগ করে ক্যালামার্ড বলেন, ‘সালমানের এই সফরের অর্থ বিশ্বের এবং জামাল খাসোগি ও তাঁর মতো মানুষের জন্য যা দাঁড়াচ্ছে, তা নিয়ে গভীরভাবে দুঃখিত।’

জাতিসংঘের হয়ে জামাল খাসোগি হত্যার তদন্ত করেছিলেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এই কর্মকর্তা। তাঁর ভাষায়, ‘যুবরাজ সালমানের ফ্রান্স সফর কিংবা জো বাইডেনের সৌদি সফর যুবরাজের খুনি পরিচয়ে কোনো বদল আনবে না।’

সালমানকে নিয়ে বিশ্বনেতাদের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের নিন্দা জানিয়ে ক্যালামার্ড বলেন, সালমানকে বিশ্বনেতারা অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন—বিষয়টি শঙ্কার। অথচ খাসোগিকে হত্যার সময় তাঁদের অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন। এমনকি সালমানকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে ফিরিয়ে না আনার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন