মনে রাখতে হবে, বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটির বেশি। সবাই যদি ছোট ছোট পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আমরা সবাই মিলে অনেক পরিবর্তন আনতে পারি। সেটাই আমাদের বার্তা। কাজটা করতেও ভালো লাগে। আমরা চ্যালেঞ্জ ভালোবাসি এবং সন্ধ্যাটা সুন্দর কাটে। সেটাই সবচেয়ে বেশি জরুরি।’

২০২০ সাল থেকে ওই সংগঠনের সদস্যরা রাত একটা নাগাদ প্যারিসের কেন্দ্রস্থলে মিলিত হন। তারপর তাঁরা চারপাশে ছড়িয়ে পড়েন। তবে সেই প্রক্রিয়ায় কিছু নিয়ম মেনে চলেন তাঁরা।

‘অন দ্য স্পট’ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা কেভিন হা বলেন, ‘নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আমাদের অভিযান চলে। জানালার যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, আমরা সে দিকে নজর রাখি। ল্যাম্পপোস্টের মতো নাগরিক পরিষেবা কাঠামোয় আমরা হাত দেই না। ওষুধের দোকান বা পুলিশ স্টেশন থেকেও দূরে থাকি। তা ছাড়া নিজেদের চোট লাগতে পারে, এমন কোনো কাজ আমরা করি না।’

হাতের নাগালে পাওয়া যায় এমন বৈদ্যুতিক বাতির সুইচ ‘অন দ্য স্পট’–এর সদস্যরা বন্ধ করেন। তবে চার মিটার উঁচু সুইচ পর্যন্ত পৌঁছাতে এ সংগঠনের সদস্যদের কোনো সমস্যা হয় না। এ সংগঠনের সদস্যরা অধিকাংশই ক্রীড়াবিদ। ক্রীড়াবিদ হিসেবে নিজেদের দক্ষতাই তাদের সম্বল বিপদ এড়াতে।

বৃষ্টি বা বরফের সময় তাঁরা আলো নেভানোর কাজ করেন না। এমেরিক কোত্যাঁ বলেন, ‘পুলিশের সামনে পড়লে আমরা একটু আলোচনা করে বুঝিয়ে বলি, কেন এ কাজ করছি। কোনো কিছু নষ্ট করি না বলে সাধারণত আমাদের কোনো সমস্যা হয় না।’