রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তির বরাত দিয়ে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্য রাশিয়ায় নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা করা হয়। সেখানে নিকোলাই পাতরুসেভ বলেন, ‘ইউক্রেনকে যেসব মারণাস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে এবং কিয়েভের পক্ষে যেসব বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধা লড়ছেন, তাঁরা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে অগ্রাধিকারে থাকবেন।’

এদিকে ভাড়াটে যোদ্ধা সরবরাহকারী বেসরকারি রুশ প্রতিষ্ঠান ওয়াগনার গ্রুপের এক সদস্যকে হত্যার খবর গত সেপ্টেম্বরে সামনে আসে। তবে আজ ওয়াগনার গ্রুপ জানিয়েছে, নিজ সদস্যদের হত্যার পেছনে তাদের কোনো হাত নেই।

নিহত ওই ব্যক্তির নাম ইয়েভজেনি নুজহিন। গত রোববার অবশ্য তাঁকে হত্যার বিষয়ে ভিন্ন সুরে কথা বলেছিলেন ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোঝিন। এই হত্যাকাণ্ডকে ‘চমৎকার একটি কাজ’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেছিলেন, ‘একটি কুকুরের মৃত্যু কুকুরের মতোই হওয়া উচিত।’

তবে আজ প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন প্রিগোঝিন। তিনি বরং যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আঙুল তুলে বলেন, ‘এ ধরনের কাজ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো করে থাকে। তারা বিশ্বের সব জায়গায় লোকজনকে অপহরণ করে। রুশ নাগরিকেরাও বাদ পড়ে না।’

ওয়াগনার গ্রুপের আত্মপ্রকাশ হয় ২০১৪ সালে, পূর্ব ইউক্রেনে। সে সময় দেশটির দনবাস অঞ্চলে মস্কোপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী ও ইউক্রেনীয় সেনাদের মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছিল। এর পর থেকে সিরিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির যোদ্ধারা। ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রেও তাঁরা বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ কিয়েভের।