ক্লারেন্স হাউসের পক্ষ থেকে দৃঢ়ভাবে অনেক দাবিরই বিরোধিতা করা হয়। ক্লারেন্স হাউস জানায়, প্রিন্স অব ওয়েলসের চ্যারিটেবল ফান্ডের (পিডব্লিউসিএফ) দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনুদান গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত ট্রাস্টিদের নেওয়া।

বকর বা শফিক বিন লাদেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা বা জড়িত থাকার কোনো অভিযোগ নেই। প্রিন্স অব ওয়েলস চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান স্যার ইয়ান চেশায়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২০১৩ সালে শেখ বকর বিন লাদেনের অনুদান গ্রহণের বিষয়টি ট্রাস্টিরা যথাযথভাবে বিবেচনা করেন। এ বিষয় অন্যদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা বিভ্রান্তিকর ও ভুল।

অপর দিকে আরেকটি সূত্র বলেছে, প্রিন্স চার্লস ব্যক্তিগতভাবে ওই চুক্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। উপদেষ্টাদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই অনুদানে তাঁর সম্মতি ছিল এবং বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা তাঁর কাছে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ ফেরত দেওয়ার অনুরোধও করেছিলেন।

এর আগে গত জুন মাসে অভিযোগ ওঠে, প্রিন্স চার্লস তাঁর দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিমের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ স্যুটকেস গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাজ্যের সানডে টাইমস এ খবর প্রকাশ করলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন প্রিন্স চার্লস। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেন প্রিন্স চার্লস। ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লস নিজের দাতব্য সংস্থার জন্য শেখ হামাদ বিন জসিমের কাছ থেকে এসব অনুদান নেন। শেখ হামাদ বিন জসিম ২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ব্রিটিশ রাজপরিবার সূত্র জানিয়েছে, অনুদান পাওয়ার পর দ্রুতই সেসব অর্থ দাতব্য তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এ ছাড়া কারও কাছ থেকে অনুদানের অর্থ নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রিন্স চার্লসের দাতব্য সংস্থাগুলোই নিয়ে থাকে।

গত সপ্তাহে চ্যারিটি কমিশন বলেছে, শেখ হামাদ বিন জসিম বিন জাবের আল-থানির কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছে, এমন প্রতিবেদনের বিষয়ে তারা আর কোনো ব্যবস্থা নেবে না।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন