তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ৫১ অনুসারে আমাদের আত্মরক্ষার অধিকারের সঙ্গে এ হামলা সামঞ্জস্যপূর্ণ।’ এ অধিকার থেকেই ইরাক ও সিরিয়ায় পেন্স কিলিক নামের এই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে ইস্তাম্বুলে হামলার বিষয়টি পিকেকে ও ওয়াইপিজির পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে। গত রোববার সকালে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক টুইটে বলা হয়, হিসাব-নিকাশের সময় এসে গেছে। দুর্বৃত্তদের বিশ্বাসঘাতকতার হামলার হিসাব নেওয়া হচ্ছে। পরে আরেক টুইটে বলা হয়, সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল সুনির্দিষ্ট আক্রমণে ধ্বংস করা হয়েছে।

সিরিয়ার কাজ করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংখ্যা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, সিরিয়ার আলেপ্পো ও হাসাকেহ অঞ্চলের ২০টির বেশি জায়গায় তুরস্ক বিমান হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন।