আদালতের দাখিল করা নথিতে দেখা গেছে, শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার আগের দিনই তার রাষ্ট্রহীনতা নিশ্চিত করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এসব বিষয়ের মধ্যে বড় প্রশ্ন হচ্ছে শামীমা বেগমকে তাঁর মা–বাবার সূত্রে বাংলাদেশ নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেবে কি না এবং কোনো সুরক্ষা বা ব্যবহারিক সহায়তা প্রদান করবে কি না?

কারণ, ২০১৯ সালের মে মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চিত করেছিলেন যে শামীমা বেগম বাংলাদেশে গেলে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার জন্য মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন।

আপিল শুনানিতে শামীমা বেগমে আইনজীবী আরও বলেন, এটা স্পষ্ট যে সাজিদ জাভিদ যদি আপিলকারীকে তাঁর নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে অনুসন্ধান করতেন, তবে তিনি সম্ভবত বুঝতে পারতেন যে আপিলকারীকে কোনো রাষ্ট্রের সুরক্ষা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া যায় না। তাঁর অন্তত এটুকু বোঝা উচিত ছিল যে একজন রাষ্ট্রহীন মানুষের বাস্তব জীবন কেমন হতে পারে।

ইংল্যান্ডের নিযুক্ত আইনজীবী যুক্তিতর্কে বলেন, বিষয়টি কি এমন যে সেক্রেটারি অব স্টেট তাঁর দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলের পূর্বে অন্য দেশের সরকারের মতামত নেবে?

২০১৫ সালে বয়সী স্কুলছাত্রী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগম জঙ্গি দল ইসলামিক স্টেট (আইএস) প্ররোচনায় সিরিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে তিনি ইসলামিক স্টেটের এক যোদ্ধাকে বিয়ে করেন।