এ ধরনের বস্তু বা মেঘ তৈরির বিষয়ে তুরস্কের আবহাওয়া অফিস বলছে, এটি একটি বিরল ঘটনা, যা লেন্টিকুলার ক্লাউড (লেনসের মতো ডিম্বাকৃতির আকারের মেঘ) নামে পরিচিত। এটি একধরনের মেঘ।

গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, লেন্টিকুলার মেঘগুলো বাঁকা, উড়ন্ত সসারের মতো চেহারার জন্য পরিচিত, যা দুই হাজার থেকে চার হাজার মিটার উচ্চতায় দেখা যায়। পরিবেশবিজ্ঞানীদের ভাষ্য, সাধারণত এ ধরনের মেঘ আকাশে দেখা গেলে পরের দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ে।

আমেরিকার ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের মেঘ শীতকালে প্রায়ই দেখা যায়। বছরের অন্য সময়ে কম দেখা মেলে। বাতাস শান্ত ও আর্দ্র থাকলেই এমন মেঘ তৈরি হয়। সাধারণত পাহাড়ের দিক থেকে আর্দ্র ঠান্ডা বাতাস দ্রুতগতিতে এলেও এ ধরনের মেঘের সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি খুব কম জায়গাতেই হয়। তাই এটিকে বিরল দৃশ্য বলা যেতে পারে। ঝড় আসার ইঙ্গিতও দেয় এমন মেঘ। এ ধরনের মেঘ নানা আকারও ধারণ করে।