দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ চালু

পৃথিবীর দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ রেলপথ প্রথম পাড়ি দিতে যাচ্ছে ট্রেনটি। এই ট্রেনের যাত্রীদের স্বাগত জানাচ্ছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তিরা।ছবি: এএফপি
পৃথিবীর দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ রেলপথ প্রথম পাড়ি দিতে যাচ্ছে ট্রেনটি। এই ট্রেনের যাত্রীদের স্বাগত জানাচ্ছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তিরা।ছবি: এএফপি

সাত দশকের প্রতীক্ষা আর প্রায় দুই দশকের নির্মাণকাজ শেষে অবশেষে খুলল বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ। গতকাল বুধবার ‘গোথার্ড বেজ টানেল’ নামের এ সুড়ঙ্গটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয় সুইজারল্যান্ড কর্তৃপক্ষ।
সুইজারল্যান্ডের মধ্যবর্তী ইউরি ক্যান্টনের এর্স্টফিল্ড থেকে আল্পসের নিচ দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় তিসিনো ক্যান্টনের বোদিও পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে ৫৭ কিলোমিটার লম্বা এ সুড়ঙ্গ। আর এর মাধ্যমে আল্পস পেরিয়ে ইউরোপের উত্তর আর দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হলো। আগামী ডিসেম্বরে ডাবল লাইনের এ সুড়ঙ্গের পুরো কার্যক্রমে যাওয়ার কথা। তখন থেকে জুরিখ থেকে ইতালির মিলান পর্যন্ত রেলভ্রমণে সময় কমে যাবে প্রায় এক ঘণ্টা। সুইজারল্যান্ড কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এ রেল সুড়ঙ্গ ইউরোপের যোগাযোগব্যবস্থা এবং পণ্য পরিবহনে আমূল পরিবর্তন আনবে।

পৃথিবীর দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ রেলপথ  উদ্বোধনের আগে সুড়ঙ্গের মুখে করমর্দন করছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জোহান স্নেইডার-আম্মান (ডানে) ও জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যারকেল l ছবি: এএফপি
পৃথিবীর দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ রেলপথ উদ্বোধনের আগে সুড়ঙ্গের মুখে করমর্দন করছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জোহান স্নেইডার-আম্মান (ডানে) ও জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যারকেল l ছবি: এএফপি

গোথার্ড পাসের নিচ দিয়ে রেল সুড়ঙ্গ নির্মাণে ১৯৪৭ সালে প্রথম একটি খসড়া নকশা তৈরি করেন সুইস প্রকৌশলী কার্ল এডুয়ার্ড গ্রানার। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নির্মাণ খরচের ব্যাপকতাসহ নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে এ নির্মাণকাজ পিছিয়ে যায়। ১৯৯৯ সালে শুরু হয় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ রেল সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ। ১৭ বছর সময় আর ১২ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ (১২ বিলিয়ন ডলার) খরচে অবশেষে গোথার্ড বেজ টানেল তার প্রথম যাত্রার জন্য প্রস্তুত হয়েছে।