জাতিসংঘ বলছে, আগামী বছরের শেষে ভারতের জনসংখ্যা চীনকেও ছাড়িয়ে যাবে। মানুষের আয়ু বেড়েছে জনস্বাস্থ্য, ওষুধ নিয়ে গবেষণা, খাদ্যের সহজলভ্যতা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার কারণে মানুষের আয়ু বেড়েছে। এ ছাড়া বেশ কিছু দেশের জন্মহারে উচ্চহারের কারণেও জনসংখ্যা এ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জাতিসংঘের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের জনসংখ্যা ৭০০ থেকে ৮০০ কোটিতে পৌঁছাতে ১২ বছর সময় লেগেছিল। আর ৯০০ কোটিতে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১৫ বছর। ২০৩৭ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা ৯০০ কোটিতে পৌঁছাবে। ৮০০ থেকে ৯০০ কোটিতে পৌঁছানোর ধীরগতির কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে যাওয়া।

২০৩০-এ বিশ্বের জনসংখ্যা ৮৫০ কোটি, ২০৫০ সালে ৯৭০ কোটি এবং ২০৮০ সালে ১০৪০ কোটিতে পৌঁছে যাবে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ।

এদিকে এর আগে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম বলেন, ৮০০ কোটি মানুষ মানবসভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ জন্য প্রত্যাশিত গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুমৃত্যু কমে আসার প্রশংসা করেছেন তিনি। কানেম বলেন, ‘যদিও আমি বুঝতে পারছি, মুহূর্তটি সবাই উদ্‌যাপন না-ও করতে পারে। আমাদের বিশ্বে অতিরিক্ত জনসংখ্যা বলে কেউ কেউ উদ্বিগ্ন। আমি এখানে বলতে চাই, মানবজীবনের নিছক এই সংখ্যা কোনো ভয়ের কারণ নয়।’