১৯২৬ সালে চীনের শানডং প্রদেশের ওয়েইহাই শহরে জু ও কাওয়ের জন্ম। ১৬ বছর বয়সে প্রথম দেখা তাঁদের। জু ও কাওয়ের বাবা ওয়েইহাই শহরে একটি স্টুডিও চালাতেন। জাপানের সেনাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চীনের প্রতিরোধযুদ্ধের সময় ১৯৩৭ সালে দুই পরিবার একসঙ্গে সাংহাইয়ে পাড়ি জমায়। সেখানকার একটি ফটো স্টুডিওতে কাওকে প্রথম দেখেন জু। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়।

২০১৯ সালের কথা। কাওয়ের বয়স তখন ৯৩ বছর। বহু বছর পর কাওয়ের সঙ্গে জুর ছোট ভাইয়ের দেখা হয়। কাও তাঁর কাছে জুর ব্যাপারে জানতে চান। জুর ছোট ভাইয়ের উৎসাহে তাঁদের আবার দেখা হয়। এরপর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে হয় তাঁদের বিয়ে।

কাওয়ের সঙ্গে আবার কথা হওয়া প্রসঙ্গে জু বলেন, ‘আমি ফোনকল ধরার সঙ্গে সঙ্গে গলার আওয়াজ শুনে বুঝতে পারি, এটা তার (কাও) কণ্ঠ। পরে আমি তার সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করি। কিন্তু আমার চিন্তা ছিল, তাকে চিনতে পারব তো? কারণ, বহু বছর তার সঙ্গে আমার দেখা হয়নি।’

এদিকে কাও বলেন, ‘যদিও আমাদের ৭০ বছর দেখা হয়নি, এরপরও একে অপরকে খুবই চেনা মনে হতো। আমরা একা ছিলাম ও সঙ্গী খুঁজছিলাম। এটাই হয়তো ভাগ্য।’

বিয়ের পর জু ও কাও একটি নার্সিং হোমে ওঠেন। সেখানে ৩০ বর্গমিটারের একটি কক্ষে থাকছেন তাঁরা।