বিজ্ঞাপন

আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সচিবালয় নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত বছরের আম্পানের চেয়ে ভয়াবহ হতে পারে ইয়াস। এর প্রভাব পড়তে পারে রাজ্যের ২০টি জেলায়। তাই রাজ্য সরকার ৪ হাজার ত্রাণশিবির খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তৈরি করা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ত্রাণ সেন্টার।

default-image

রাজ্যের ১০ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য এনডিআরএফর ৫১টি দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আজ থেকে শুরু করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

মমতা আরও বলেছেন, ইয়াস নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাস্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডাকা বৈঠকে তিনি যোগ দিয়েছেন। যোগ দিয়েছেন অন্ধ্র এবং ওডিশার মুখ্যমন্ত্রীরা। অমিত শাহ দুর্যোগ মোকাবিলায় ওডিশা ও অন্ধ্র প্রদেশকে ৬০০ কোটি করে দিলেও বাংলাকে দিয়েছে মাত্র ৪০০ কোটি রুপি। অথচ বাংলাই এই তিন রাজ্যের মধ্যে বড় রাজ্য।

এখন এই ইয়াস পশ্চিবঙ্গের দীঘা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬১০ কিলোমিটার এবং ওডিশার বালাসোর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
default-image

কলকাতার আলীপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসকে কেন্দ্র করে রাজ্যের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলেদের অবিলম্বে মাছ ধরা বন্ধ করে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রতীরের বাসিন্দাদের বিশেষ করে নিম্ন এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থান বা সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নিতে বলা হচ্ছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন