বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার নতুন এ ধরনের সন্ধান পাওয়া গেছে মূলত দক্ষিণ আফ্রিকায়। তা ছাড়া বতসোয়ানা, ইসরায়েল ও হংকংয়েও এর সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। ডেলটা ও ডেলটা প্লাসের পর এই নতুন ধরন বি.১.১.৫২৯, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) যার নাম দিয়েছে ‘ওমিক্রন’। ডব্লিউএইচও ইতিমধ্যেই এ ধরনকে গভীর উদ্বেগজনক বলে সবাইকে সতর্ক করে দিয়েছে।

এখনো ভারতে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নন। শনিবারের বৈঠকে ক্যাবিনেট সচিব, স্বাস্থ্যসচিব, কোভিড টাস্কফোর্সের প্রধান ও নীতি আয়োগের কোভিড বিশেষজ্ঞ সদস্যদের সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ যেন নেওয়া হয়।

ভারতের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দক্ষিণ আফ্রিকা, হংকং, বতসোয়ানা ও ইসরায়েল থেকে আসা যাত্রীদের বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব এই বিষয়ে সব রাজ্য সরকারকে চিঠি লিখেছেন। তাতে বলা হয়েছে, যেসব দেশে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া গেছে, সেখান থেকে আসা প্রত্যেকের ওপর কড়া নজর রাখতে হবে। কোনো রকম ঢিলেমি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটির সংক্রমণ ঘটেছে অতি দ্রুত। সে দেশে সম্প্রতি যতজন সংক্রমিত হয়েছেন, তাঁদের ৯০ শতাংশই ওমিক্রনে আক্রান্ত।

তাঁদের বেশির ভাগই স্কুল ও কলেজপড়ুয়া। এই তথ্যই বেশি উদ্বেগের। কারণ, ভারতে এখনো ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়নি। তা ছাড়া ওমিক্রন-সম্পর্কিত তথ্যও সরকারের কাছে বিশেষ নেই। টিকাপ্রাপ্তদের প্রতিরোধক্ষমতা এই ধরনকে রুখতে পারবে কি না, রুখলেও কতটা কার্যকর হবে, তা অজানা। এই কারণে সরকার এত চিন্তায়।

ভারতের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দক্ষিণ আফ্রিকা, হংকং, বতসোয়ানা ও ইসরায়েল থেকে আসা যাত্রীদের বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ইসরায়েলসহ বেশ কিছু দেশ ওমিক্রন ছড়ানো দেশগুলোর সঙ্গে বিমান পরিষেবা বন্ধ রেখেছে। শনিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ওমিক্রন ছড়ানো দেশগুলোর ফ্লাইট বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন