বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার ডব্লিউএইচও প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে করোনায় ৪৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা ভারত সরকারের দেওয়া মৃত্যুর হিসাবের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি।

ডব্লিউএইচওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় যত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই হয়েছে ভারতে।

বিশ্বে করোনায় দেড় কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ডব্লিউএইচওর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি হিসেবে, করোনায় মৃতের মোট সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ।

ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে করোনায় পাঁচ লাখের কিছু বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ডব্লিউএইচওর বক্তব্য অনুসারে, তারা ভারতের ১৭টি রাজ্যের তথ্য কিছু ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে সংগ্রহ করেছে। এই তথ্যগুলোই তারা গাণিতিক মডেলে ব্যবহার করেছে। ভারত বরাবরই এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে।

দেশটির স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ভারতে করোনায় অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে ডব্লিউএইচও যে পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা পরিসংখ্যানগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ, বৈজ্ঞানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। এই গবেষণাপ্রক্রিয়া, পদ্ধতি ও ফলাফল নিয়ে ভারতের আপত্তির পরও ডব্লিউএইচও করোনায় অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের উদ্বেগের দিকটিকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

ডব্লিউএইচওর গবেষণায় করোনা মহামারির আগে কোনো অঞ্চলের প্রত্যাশিত মৃত্যুর চেয়ে মহামারি শুরুর পর কী পরিমাণ বেশি মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশি মৃত্যুর এই পরিসংখ্যান তৈরি হয়েছে সরাসরি করোনাজনিত মৃত্যু ও পরোক্ষ মৃত্যুর সংখ্যা হিসাব করে। কারণ, কোভিড-১৯ পরোক্ষ কিছু মৃত্যুর জন্যও দায়ী। মহামারির কারণে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ বেড়ে গিয়েছিল। সে সময় অন্য রোগের রোগীরাও ঠিকমতো চিকিৎসা পাননি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন