বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রামাণ্যচিত্রটির শুটিং শুরু হলো কলকাতায়। প্রথম শুটিং হলো বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবাহী কলকাতার মাওলানা আজাদ কলেজে। এই কলেজে তিনি পড়াশোনা করেছেন ১৯৪৫-৪৬ শিক্ষাবর্ষে, ছিলেন কলকাতার সরকারি বেকার হোস্টেলে। ছাত্রসংগঠনের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু কলকাতার বিভিন্ন আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। কলেজের পর শুটিং হলো বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবাহী সরকারি বেকার হোস্টেলে।
শুটিংয়ের আগে আজ দুপুরে মাওলানা আজাদ কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ শুভাশীষ দত্ত, চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের সহসভাপতি সত্যম রায় চৌধুরী, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে তৌফিক হাসান বলেন, কলকাতার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছিল আত্মার সম্পর্ক। কলকাতা ছিল তাঁর এক প্রিয় শহর। শহরটিতে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান করার নানা টুকরো স্মৃতি নিয়ে তৈরি হচ্ছে ‘কলকাতায় বঙ্গবন্ধু’ প্রামাণ্যচিত্র। ৩০ মিনিটের এই প্রামাণ্যচিত্রে ফুটে উঠবে কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর নানা অজানা ঘটনার টুকরো টুকরো ছবি, ইতিহাস। এই প্রামাণ্যচিত্র ভারত ও বাংলাদেশে একযোগে দেখানো হবে। আগামী জুনের মধ্যে মুক্তি পাবে প্রামাণচিত্রটি।

default-image

গৌতম ঘোষ বলেন, ‘আমিও খুব আনন্দিত এবং গর্বিত যে বঙ্গবন্ধুর মতো একজন বিশ্বসমাদৃত বিশাল বাঙালি নেতার কলকাতার জীবন নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করতে পারছি। এটি তৈরি করতে আমরা বঙ্গবন্ধুর “অসমাপ্ত আত্মজীবনী”র সাহায্য পেয়েছি। আশা করি, আগামী জুনের মধ্যে এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের নির্মাণ সম্পন্ন হবে। এই প্রামাণ্যচিত্রে টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার ধানমন্ডি আর কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানা ছবি ভেসে উঠবে। থাকবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশিষ্টজনদের স্মৃতিচারণা।’

কলকাতায় বিভিন্ন আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর জড়িয়ে পড়া, পার্ক সার্কাসে অবাধ বিচরণ, আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে পত্রিকা অফিসে রাত কাটানো, কলকাতা ব্রিগেডের জনসমুদ্রে ভাষণ, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির সান্নিধ্য—এসব নানা স্মৃতির কথা ফুটে উঠবে এই প্রামাণ্যচিত্রে।

প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছেন পরিচালক গৌতম ঘোষ, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের সহসভাপতি সত্যম রায় চৌধুরী এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন