বিজ্ঞাপন

কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানানো ১২ দলের নেতারা হলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে, সিপিআই নেতা ডি রাজা, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি, আরজেডির তেজস্বী যাদব, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেন, ডিএমকের এম কে স্ট্যালিন, কাশ্মীরের গুপকর জোটের ফারুক আবদুল্লা, সংযুক্ত জনতা দলের এইচ ডি দেবগৌড়া ও সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব।

আন্দোলনকারী কৃষকদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করলেও মোদি সরকার বিতর্কিত কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবি নাকচ করে দিয়েছে। গত তিন মাস কোনো আলোচনাও হয়নি। কৃষকেরাও অবরোধ তোলেননি। আন্দোলন জারি রেখেই ফসল কাটা হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেখানে কোভিড মোকাবিলায় ব্যর্থতা ও কৃষক আন্দোলনের কারণে শাসক বিজেপির ফল খুবই খারাপ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে সমাজবাদী পার্টি। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর প্রদেশ বিধানসভার ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সবকিছু খতিয়ে দেখতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের নেতারা গত দুদিন ধরে আলোচনা করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান দত্তাত্রেয় হোসবোলে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। বিজেপি নেতৃত্বের চিন্তা বাড়িয়েছে অযোধ্যা, বারানসি, মথুরা-বৃন্দাবনের মতো হিন্দুপ্রধান ধর্মীয় শহরের ভোটের ফল। যেখানে বিজেপিকে পেছনে ফেলে জয়ী হয়েছেন বিরোধী প্রার্থীরা। সাত-আট মাসের মধ্যে অবস্থা কীভাবে অনুকূল করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তা নিয়েই আলোচনা হয়। বিজেপির একটি সূত্র জানায়, কৃষক আন্দোলনের রেশ পশ্চিম উত্তর প্রদেশেই নয়, ছড়িয়েছে রাজ্যের অন্য এলাকাতেও। কোভিডেও আক্রান্ত গোটা রাজ্য।

অব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভার নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। উত্তর প্রদেশ বিধানসভার ভোটের ফল বোঝাবে ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের সম্ভাবনা কতখানি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন