বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংসদীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই তিন বিতর্কিত কৃষি আইন রদের বিল উত্থাপন হওয়ার কথা। সেই কারণে শাসক দল বিজেপি সব দলীয় সাংসদকে সংসদে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দর্শন পাল সিং বলেন, শোনা যাচ্ছে ওই দিনই আইন রদ করা হবে। এ কারণে সংসদ অভিযান স্থগিত রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি। তাতে আমাদের সব দাবিদাওয়া পূরণের কথা বলেছি। আমরা ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করব। দেখব প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবিগুলো নিয়ে কী বলেন। তারপর মোর্চা তার পরবর্তী কর্মসূচির কথা জানাবে।’

দিল্লির তিন সীমান্তে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে কৃষকনেতারা অনড়। তাঁরা বলেছেন, শুরু থেকেই তাঁরা বিতর্কিত তিন কৃষি আইন বাতিল ও ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) নিয়ে নতুন আইনের দাবি জানিয়ে আসছেন। পরবর্তী সময়ে আরও কিছু দাবি যুক্ত হয়েছে। যেমন আন্দোলনের সময় নিহত কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার, বন্দীদের মুক্তি দেওয়া, লখিমপুর খেরির ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর অপসারণ ও বিদ্যুৎ বিল বাতিল।

প্রধানমন্ত্রী এখনো এসব দাবি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষার পর আমরা নতুন পদক্ষেপ করব।’
দর্শন পাল সিং, কৃষক নেতা

শনিবার কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং টোমার কৃষকদের আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, আইন বাতিলের পর এই আন্দোলন চালানো অর্থহীন। তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে জানিয়েছে, ফসলের গোড়া জ্বালানোর জন্য দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার করা হবে। বাকি দাবিগুলো বিবেচনা করতে একটা কমিটি গঠিত হবে।

তবে কৃষিমন্ত্রী এমএসপির আইনি নিশ্চয়তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। কৃষকেরা আবার এই নিশ্চয়তা ছাড়া আন্দোলন প্রত্যাহারে রাজি নন। শুক্রবারই আন্দোলনরত কৃষকদের দিল্লি অবরোধের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এই উপলক্ষে লাখো কৃষক দিল্লির উপকণ্ঠে তিন সীমান্তে হাজির হয়ে ‘আংশিক বিজয় উৎসব’ পালন করেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন