বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কোয়াড গঠিত হওয়ার পর সাম্প্রতিককালে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের শীর্ষ নেতারা ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করছিলেন। এবার হবে সরাসরি সাক্ষাৎ। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই খবর জানিয়ে বলা হয়, বাইডেন ও মোদির পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এযাবৎ চার রাষ্ট্রের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর পর্যালোচনা, অগ্রগতি ও পরবর্তী লক্ষ্য স্থির করাই হবে এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

গত বছরের মার্চ মাসে বাইডেন প্রথম ভার্চ্যুয়াল শীর্ষ বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছিল কোভিড নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনা প্রভাব বিস্তারের মোকাবিলার মতো বিষয়।

আফগানিস্তান পরিস্থিতি তখন আজকের মতো উদ্বেগজনক ছিল না। এবার এই সংকট প্রাধান্য পেতে পারে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছেন, ২৪ সেপ্টেম্বরের শীর্ষ সম্মেলনে নেতাদের স্বাগত জানাতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রস্তুত। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চতুর্দেশীয় সম্পর্ক দৃঢ় করাই এই সম্মেলনের লক্ষ্য। আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতিতে সরাসরি কিছু বলা না হলেও মনে করা হচ্ছে, চার নেতার আলোচনায় তা বড় হয়ে উঠবে। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে ২+২ আলোচনায় আফগানিস্তান পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকেও মোদি আফগানিস্তান প্রসঙ্গে দেশের উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরবেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। পালাবদলের পর পাকিস্তানের সমর্থনে তালেবানের একাংশ ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর মারাত্মক হয়ে ওঠার প্রবণতা ঠেকাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের সক্রিয় হওয়ার ওপর তাঁর জোর দেওয়ার কথা। আঞ্চলিক শান্তি ও সুস্থিতি রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপরও প্রধানমন্ত্রী জোর দেবেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও জাতিসংঘের আসরে অন্যান্য দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে মোদির সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও। যদিও এবার মোদি কার কার সঙ্গে বৈঠক করবেন, এখনই সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন