default-image

ভেত্রিভেল বলেন, মানুষ ১০ রুপির কয়েন নিতে চান না। আর ছোট বাচ্চারা এমনভাবে ১০ রুপির কয়েন নিয়ে খেলা করে, দেখে মনে হতে পারে এর কোনো মূল্য নেই। প্রত্যেকেই এমনটা করলে তো বিপুল ক্ষতিও হয়ে যাবে। এভাবে চললে ১০ রুপির কয়েন তো অনেকটাই অচলের মতো হয়ে যাবে। তাই তিনি ঠিক করেন, এ কয়েনগুলো জমিয়ে কিনবেন নতুন গাড়ি। এরপরই জমানো শুরু। এক মাসের বেশি সময় পরই পৌছে যান লক্ষ্যে।

তামিলনাড়ুর ধর্মপুরী এলাকার এক গাড়ির শোরুমে বস্তায় কয়েন নিয়ে ঢোকেন ভেত্রিভেল। এ কাণ্ডে সবাই একটু চমকে যান। কারণ, এই শোরুমের মালিক ও কর্মীরা চেক বা নগদ রুপিতে গাড়ি বিক্রি করেন। কয়েন ভর্তি বস্তা তাঁরা দেখেননি। কর্মীরাও প্রথমে এত কয়েন নিতে রাজি হচ্ছিলেন না। কর্মীদের কয়েন জমানোর কারণ জানানোয় তাঁরা রাজি হয়ে যান গাড়ি বিক্রি করতে।

default-image

ভেত্রিভেল বলেন, ‘আমার মা কোনো ক্রেতাকে ১০ রুপির কয়েন দিতে চাইলে তাঁরা তা নিতে অস্বীকার করেন। এমনকি কয়েকটি ব্যাংকও এই রুপি নিতে চায়নি। ব্যাংক কর্মীদের দাবি, এত কয়েন গোনার লোক নেই। ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক তো ১০ রুপির কয়েন মূল্যহীন বলেনি। তারপরও ব্যাংক তা নিতে রাজি হয়নি।’ তিনি জানান, এ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করেও লাভ হয়নি। তাই শেষ পর্যন্ত গাড়ি কেনারই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন