default-image

মারা গেলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু অধ্যাপক উত্তরা চক্রবর্তী। আজ রোববার সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে কলকাতার সল্টলেকের বাসভবনে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্বামী অধ্যাপক সুবাস রঞ্জন চক্রবর্তী, তাঁর প্রবাসী দুই পুত্র, এক নাতনিসহ বহু গুণগ্রাহীকে রেখে গেছেন।

উত্তরা চক্রবর্তীর দুই ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যাপনা করেন। মায়ের মৃত্যুতে তাঁরা আসতে পারছেন না কলকাতায়। উত্তরা চক্রবর্তী কিডনির সমস্যায় বেশ কিছুদিন ধরে ভুগছিলেন। হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁর করোনার নমুনা পরীক্ষা হলে প্রথম পজিটিভ রিপোর্ট এলেও পরবর্তীকালে তা নেগেটিভ আসে। আজ সকালে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।

উত্তরা চক্রবর্তীর জন্ম কলকাতায় ১৯৪৪ সালের ডিসেম্বরে। ছিলেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। জীবনের প্রথম অধ্যাপনা শুরু করেন দার্জিলিংয়ের লরেটো কলেজে।

তারপর অধ্যাপনা করেন কলকাতার মাওলানা আজাদ কলেজ, চন্দননগর সরকারি কলেজ ও কলকাতার বেথুন কলেজে। বেথুন কলেজে থেকে তিনি অবসর নেন।

অবসরের পর ২০০৫ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত তিনি অতিথি অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করেন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে।

বিজ্ঞাপন

উত্তরা চক্রবর্তীর সঙ্গে বাংলাদেশের ছিল গভীর সম্পর্ক। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকারসংক্রান্ত বিভিন্ন সেমিনারেও যোগ দেন তিনি। লিখেছেন বেশ কয়েকটি বই।সম্পাদনা করেছেন চারটি বই।

আজ বিকেলে কলকাতার নিমতলা মহাশ্মশানে উত্তরা চক্রবর্তীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

মন্তব্য করুন