বিজ্ঞাপন

ভারতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এটি ভারতের উপকূলে আঘাত হানতে পারে আগামী বুধবার। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের গতিবেগ হতে পারে ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার। আগামীকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে গতিবেগ হতে পারে ১৪৫ থেকে ১৫৫ কিলোমিটার। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের গতিবেগ হতে পারে ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। রাত সাড়ে ১১টার দিকে গতিবেগ হতে পারে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। আগামী বৃহস্পতিবার এটি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশার রাজ্য সরকার। এই দুই রাজ্যেই সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার ফোর্স (এনডিআরএফ) এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এনডিআরএফের ৩২টি এবং ওডিশায় ২৮টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্ধ্র প্রদেশ, তামিলনাড়ু, আন্দামান ও নিকোবরেও এনডিআরএফের টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ঝড়ের পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের সচিবালয় নবান্নে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই মঙ্গল ও বুধবার সেখানে থাকবেন বলে জানা গেছে। এই রাজ্যের দিঘা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের মতো উপকূলীয় এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশায় যখন ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার।

সম্প্রতি ভারতে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তকতে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর চেয়েও শক্তিশালী হতে পারে। তবে এক বছর আগে পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানা আম্পানের চেয়ে দুর্বল হতে পারে এই ঝড়। আম্পানের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার। এতে প্রাণ হারিয়েছিল কমপক্ষে ৮০ জন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন