মামলায় সঞ্জীব-সাধনা দম্পতি বলেছেন, তাঁদের ছেলে বিয়ে করেছেন ছয় বছর হয়ে গেছে। কিন্তু ছেলে-ছেলেবউ এখনো সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন না। অন্তত তাঁদের যদি একটি নাতি বা নাতনি থাকত, তাহলে তার সঙ্গে সময় কাটানো যেত, বয়সকালে কষ্ট সহনীয় হতো।

সঞ্জীব-সাধনা দম্পতি বলেছেন, ছেলেকে বড় করতে তাঁরা তাঁদের সব সঞ্চয় ব্যয় করেছেন। ছেলেকে পাইলট বানাতে প্রশিক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন। এতে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। ছেলের জন্য জমকালো বিয়ের আয়োজন করেছেন। বিয়েতেও অনেক খরচ করেছেন।

সঞ্জীব-সাধনা দম্পতির ভাষ্য, তাঁদের একটি নাতি বা নাতনি থাকবে, অবসরকালে সেই নাতি বা নাতনির সঙ্গে তাঁরা সময় কাটাতে পারবেন, এমন ভাবনা থেকেই ছেলের বিয়ে দিয়েছেন। অথচ ছেলের বিয়ের ছয় বছর পরও তাঁরা নাতি-নাতনির মুখ দেখতে পারেননি।

সঞ্জীব-সাধনা দম্পতি বলেছেন, তাঁরা ছেলের পেছনে সব টাকাপয়সা শেষ করেছেন। এখন তাঁরা অর্থকষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। কারণ, তাঁরা একাকী।

সঞ্জীব-সাধনা দম্পতি মামলার আবেদনে এক বছরের মধ্যে যদি নাতি বা নাতনি না পান, তাহলে প্রায় পাঁচ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। মানসিক হয়রানির দিকটি সামনে এনে এই ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

বৃদ্ধ দম্পতির আইনজীবী এ কে শ্রীবাস্তব বলেন, দাদা-দাদি হওয়া প্রত্যেক মা-বাবার স্বপ্ন। দাদা-দাদি হওয়ার জন্য তাঁর মক্কেলেরা বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছেন।

সঞ্জীব-সাধনা দম্পতির মামলার বিষয়ে ছেলে ও ছেলেবউয়ের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন