বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভবনটি ছিল বুরুহাট বেঙ্গালুরু মহানগরা পালিকে আবাসিক কর্তৃপক্ষের অধীনে। তাদের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ভবনটি এবং এর আশপাশে যারা বাস করত, তাদের সবাইকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের খাবার ও থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

ভবনটি হেলে পড়ার জন্য ভারী বৃষ্টি ও ভবনের দুর্বল অবকাঠামোকে দায়ী করছেন কর্মকর্তারা। এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন ভেঙে ফেলার জন্য ২৬টি ভবনের তালিকা করেছিল। হেলে পড়ার পর গত রাতে ভেঙে ফেলা ভবনটিও ছিল সেই তালিকায়।

চারতলা ওই ভবনে মোট আটটি পরিবার বাস করত। মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন ভেঙে ফেলার জন্য তালিকাভুক্ত করার পর এর মধ্যে দুটি পরিবার ভবনটি ছেড়ে চলে যায়। বাকি ছয়টি পরিবার গতরাত পর্যন্ত সেখানে ছিল। হেলে পড়ার বিষয় খেয়াল করার পর তাদের ভবন থেকে বের করা হয়।

গত সোমবার ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে বেঙ্গালুরুতে। এতে করে শহরজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। গত রোববারও সেখানে ভারী বৃষ্টি হয়েছিল। এতে অনেক জায়গায় গাছ উপড়ে যায়। পানিবন্দী হয়ে পড়ে নগরের অনেক বাসিন্দা। শহরের বিভিন্ন সড়কও ওই দিন বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়।

ট্রাক্টরে করে গতকাল বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরের টার্মিনালে যেতে দেখা যায় অনেক যাত্রীকে। কেমপেগোয়াদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরের এলাকাগুলোও বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়। এ কারণে আশপাশের সড়কগুলোতে আটকা পড়েন বিমানবন্দরের উদ্দেশে আসা অনেক যাত্রী।

গত বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুর কাস্তুরি নগর এলাকাতে একই কারণে তিনতলা একটি ভবন ভেঙে ফেলেছিল কর্তৃপক্ষ। এমন ঘটনা হামেশাই ঘটছে সেখানে। এনডিটিভি জানিয়েছে, গত দুই সপ্তাহের মধ্যে বেঙ্গালুরুতে এভাবে চারটি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। সবগুলো ভবনই হেলে পড়েছিল।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন