বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগেই তৃণমূল ঘোষণা দিয়েছিল, ৪-০ আসনে এবার জিতবে তারা। তবে নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির সঙ্গে বাম দল ও কংগ্রেস মাঠ ছাড়েনি। এবার তৃণমূলের লক্ষ্য চার আসনেই জয়ী হয়ে বিরোধীদের শূন্য করা । আর বিজেপির লক্ষ্য তাদের হাতে থাকা কোচবিহারের দিনহাটা ও নদীয়ার শান্তিপুর আসন টিকিয়ে রাখা। এই দুটি আসনে নির্বাচনের সময় দুই বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধানসভার নির্বাচনী লড়াইয়ে জেতেন। কিন্তু নির্বাচনের পর এই দুই সাংসদ তাঁদের বিধায়ক পদ ছেড়ে দিয়ে ফিরে যান সাংসদ পদে। ফলে শূন্য হয় এই দুটি আসন। অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ আসনের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা ২ মে ফল ঘোষণার আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ফলে সেই আসনও শূন্য হয়। আর দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা আসনটিও শূন্য হয় তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী জয়ন্ত নস্করের করোনায় আক্রান্ত হয়ে জুন মাসে মৃত্যু হওয়ায়।

কোচবিহারের দিনহাটা আসনে মূল লড়াই হচ্ছে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর সঙ্গে বিজেপি প্রার্থী অশোক মণ্ডলের। এ আসনে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট গণনায় ১ লাখ ১২ হাজার ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। শান্তিপুরেও তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী এগিয়ে রয়েছে ২৪ হাজার ৩৩০ ভোটে। এ আসনে বাম দল দ্বিতীয় স্থানে ও বিজেপি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ আসনে তৃণমূল প্রার্থী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় এগিয়ে রয়েছে ৩৩ হাজার ২০১ ভোটে। আর দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল এগিয়ে রয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩১৮ ভোটের ব্যবধানে।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনের পর ইতিমধ্যে আরও তিনটি আসনের উপনির্বাচন সম্পন্ন হয়। এই তিনটি আসন হলো দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসন এবং মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ ও জঙ্গীপুর আসন। এই তিন আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয় তৃণমূল। ভবানীপুর আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিজেপি প্রার্থী আইনজীবী প্রিয়াংকা টিবরেওয়ালকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন