প্রশান্ত কিশোরের ‘ফোর-এম’ পরিকল্পনা কী

১৬ এপ্রিল সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠকের পর প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে সি বেনুগোপাল বলেছিলেন, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিকল্পনা জমা দিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর।

পরিকল্পনার মধ্যে আছে ‘ফোর-এম’। ভোটকুশলীর সেই ফোর-এমের মধ্যে আছে মেসেজ, ম্যাসেঞ্জার, মেশিনারি ও মেকানিকস। পাশাপাশি প্রশান্ত কিশোর বিজেপি হিন্দুত্ববাদ, তীব্র জাতীয়তাবাদ ও কল্যাণমূলক প্রকল্প—তিনটি বিষয় নিয়ে যে জোর লড়াই চালাচ্ছে, সেই কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন। এসব ব্যাপারে প্রশান্ত কিশোর বিকল্প প্রস্তাবও দিয়েছেন কংগ্রেসের সামনে।

প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহই বিজেপি চালান। তবে জেপি নাড্ডার মতো লোককে তাঁরা সভাপতি হিসেবে রেখেছেন। প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, যিনি দলের সভাপতি হবেন, তাঁর প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়া উচিত নয়।

প্রশান্ত কিশোরের ঝুলিতে যেমন সাফল্য আছে, তেমন ব্যর্থতাও আছে। সাফল্যের মধ্যে আছে ২০১৪-তে বিজেপির ক্ষমতায় আসা এবং নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়া, বিহারে নীতীশ কুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া, পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূলের ক্ষমতায় আসা। তবে ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসের দায়িত্ব নিয়ে ব্যর্থও হন পিকে।

২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে হিমাচল প্রদেশ, কর্নাটক, গুজরাট, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে রাজ্য নির্বাচন হবে। এসব রাজ্যে কংগ্রেসের কোথায় শক্তি কেমন, কোথায় দুর্বলতা, সম্ভাব্য প্রার্থী, বুথ স্তরে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গড়ে তোলা—ইত্যাদি ব্যাপারে প্রস্তাব রেখেছেন প্রশান্ত কিশোর।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তানস টাইমস, দ্যা হিন্দু

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন