বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফলাফলে দেখা যায়, ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল ১৩৪টিতে জয় পেয়েছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে তৃণমূল জিতেছিল ১১৪টি ওয়ার্ডে।

নির্বাচনে বিজেপি লজ্জাজনকভাবে পরাজিত হয়েছে। বিজেপি মাত্র তিনটি ওয়ার্ডে জয় পেয়েছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল সাতটি ওয়ার্ডে।

এবার বাম দল ও কংগ্রেস দুটি করে ওয়ার্ডে জয়ী হয়ে লজ্জার হাত থেকে কোনো রকমে রক্ষা পেয়েছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে বাম দল ১৫টি ওয়ার্ডে জিতেছিল।

নির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল জয়ের পর কে হবেন পৌর করপোরেশনের মেয়র, তা নিয়ে কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনাকল্পনা শুরু হয়। নাম ওঠে কয়েকজনের। তাঁরা হলেন বর্তমান পৌর প্রশাসক ও সাবেক মেয়র ফিরহাদ হাকিম, সাবেক ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, দেবাশীষ কুমার ও তারক সিং।

মেয়র ঠিক করতে তৃণমূল নেত্রী মমতা আজ বিকেলে কলকাতার কালীঘাটের মহারাষ্ট্র নিবাসে নতুন ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে তৃণমূলের দলনেতা নির্বাচিত হন ফিরহাদ। পরে মমতা ঘোষণা দেন, ফিরহাদই কলকাতা পৌর করপোরেশনের মেয়র হবেন।

মমতা এ ঘোষণার ফলে ফিরহাদ কলকাতা পৌর করপোরেশনের ৪০তম মেয়র হিসেবে অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছেন।

ফিরহাদের বয়স এখন ৬২ বছর। এবার তিনি কলকাতা পৌর করপোরেশনের ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির প্রতাপ সোনকার।

নির্বাচনে ফিরহাদ ১৭ হাজার ৬০৯ ভোটে বিজেপির প্রার্থীকে পরাজিত করেন। বিজেপির প্রার্থী পান ২ হাজার ৬৯৩ ভোট।

ফিরহাদ ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৭ মে পর্যন্ত কলকাতার মেয়র পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। নির্বাচন বিলম্বে হওয়ার কারণে পৌরসভা ভেঙে দেওয়া হয়। ফিরহাদকে করা হয় পৌর করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা। সেই থেকে তিনি করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ ছাড়া ফিরহাদ ২০১১ সাল থেকে রাজ্য বিধানসভার একজন বিধায়ক। তিনি রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবেও নিয়োজিত রয়েছেন।

কলকাতা পৌর করপোরেশনের নতুন চেয়ারপারসন হবেন সাংসদ মালা রায়। তিনি এবার পৌর নির্বাচনে অংশ নিয়ে কাউন্সিলর হয়েছেন। ডেপুটি মেয়র হবেন অতীন ঘোষ।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন