বিজ্ঞাপন

ভারতে কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন অথবা স্পুতনিক–ভি—কোনো টিকাই ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ফাইজারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে, জরুরি ব্যবহারের জন্য ভারত সরকারকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদনের ওপর নির্ভর করা উচিত।

দিল্লি সরকার গত সপ্তাহে ফাইজার ও মডার্নার টিকা কিনতে চেয়েছে। তবে তাদের এ প্রস্তাব ফাইজার প্রত্যাখ্যান করে। ফাইজার সে সময় জানায় প্রতিষ্ঠানের নীতি অনুসারে তারা শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। মডার্নাও একই কারণে পাঞ্জাব সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসি বলেছেন, প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, দুই ডোজের যেসব টিকা ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো ভারতীয় করোনার ধরন ও অন্যান্য ধরনের বিরুদ্ধে আংশিক ও সম্ভাব্য সুরক্ষা দিতে পারে।

ভারতে এ পর্যন্ত ২০ কোটি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে ১৩০ কোটি জনগণকে টিকা দিতে দেশটি এখনো সংকটে রয়েছে।

ভারতে এখন ১৮ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড টিকা ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের ওপর টিকার ট্রায়াল শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে কোভ্যাক্সিনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ২ লাখ ১১ হাজার ২৯৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সময় দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ৩ হাজার ৮৪৭ জন। এ নিয়ে ভারতে করোনায় সংক্রমিত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩। ভারতে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন