বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সোমবার উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ে কৃষকদের মহা পঞ্চায়েত অনুষ্ঠান। ২৬ নভেম্বর দিল্লির তিন সীমান্তে ব্যাপক সমাবেশ। ২৯ নভেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের শুরুর দিনে সংসদ অভিযান।

রাজেওয়াল বলেন, তাঁদের মূল দাবি ছিল তিন আইন রদ ও এমএসপি নিয়ে আইন তৈরি। আইন রদের কথা ঘোষিত হলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমএসপির আইনি বৈধতা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

মোর্চার আরেক নেতা সিপিএমের সাবেক সাংসদ হান্নান মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, ‘চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলা হবে, মোর্চার নেতাদের তিনি বৈঠকে ডাকুন। কৃষককল্যাণে যখন তিনি এতই চিন্তিত, তখন কৃষকদের কাছ থেকে শুনুন কী করলে তাঁদের মঙ্গল।’ মোর্চার নেতারা বলেছেন, এমএসপি নিয়ে আইন না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন ছাড়বেন না। পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য মোর্চার নেতারা ২৭ নভেম্বর আবার বৈঠকে বসবেন।

আইনের মাধ্যমে ফসলের এমএসপি নিশ্চিত করা ছাড়াও কৃষকনেতারা নিহত কৃষকদের পরিবারগুলোকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবি তুলেছেন। বিদ্যুৎ সংশোধন বিল প্রত্যাহারের পুরোনো দাবিও তাঁরা নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছেন। আর বলেছেন, লখিমপুর খেরি ঘটনায় জড়িত বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে বরখাস্ত করা জরুরি। এই দাবি পূরণ করা না হলে তাঁরাও আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন না।

লক্ষ্ণৌর মহা পঞ্চায়েত সফল করতে মোর্চার নেতারা সচেষ্ট। পশ্চিম উত্তর প্রদেশের জাট নেতা রাকেশ টিকায়েত এক টুইটে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভাবছেন, সেই সংস্কারে কৃষকদের দুর্দশা দূর হবে না। তাঁদের মুখে হাসি ফোটাতে দরকার এমএসপি আইন। ‘চলো লক্ষ্ণৌ’ হাঁক দিয়ে টিকায়েত বলেছেন, এমএসপি আইনই আসল সংস্কার। আরেক নেতা হরনাম সিং ভার্মা বলেন, আইন রদ করার কথা বললেও প্রধানমন্ত্রী এমএসপি আইন নিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেননি। সেই আইন প্রণয়ন ও অজয় মিত্রর অপসারণ না হলে তাঁরাও জমি ছাড়বেন না।

কৃষি আইন প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু বুধবার

ভারতের এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়, তিন বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আগামী বুধবারই সম্মতি দিতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ২৪ নভেম্বর বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। সংবাদ সংস্থা এএনআই গতকাল সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এ খবর জানিয়েছে।

এএনআই বলছে, বুধবারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত পাওয়া গেলে কৃষি আইনগুলো প্রত্যাহারের জন্য সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে তা নিয়ে বিল পেশ করা হতে পারে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন