default-image

ভোটের আগে পদুচেরিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল কংগ্রেস সরকার। চারজন বিধায়কের পদত্যাগ মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামীকে যে সংকটে ফেলেছে, তাতে এখনই সরকার ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন বলে দলীয় সূত্রের খবর। সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রশাসিত পদুচেরিতে ভোটের আগে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হতে পারে। এই বছরের এপ্রিল-মে মাসে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও কেরালা রাজ্যের সঙ্গে পদুচেরি বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

পদুচেরিতে কংগ্রেসের আধিপত্য খর্ব করতে বিজেপি অনেক দিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছে। উপরাজ্যপাল কিরণ বেদির সঙ্গে নানা কারণে সংঘাত চলছে মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণস্বামীর। একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্দোলনেও শামিল হয়েছেন কিরণ বেদি। অনশনও করেছেন। অপসারণের দাবিও তুলেছেন। কিন্তু এরই মধ্যে চারজন দলীয় বিধায়কের পদত্যাগ পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বিধায়ক জন কুমারও।

আগামীকাল বুধবার কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে রাহুল গান্ধীর পদুচেরি যাওয়ার কথা। এর আগেই এই সংকট। কংগ্রেস এ জন্য পুরোপুরি দায়ী করেছে বিজেপিকে। রাজ্যের সমাজকল্যাণমন্ত্রী কান্ধস্বামী এক ভিডিও বার্তায় সংকট সৃষ্টির জন্য দায়ী করেছেন বিজেপির চক্রান্তকে। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উপরাজ্যপাল কিরণ বেদি চক্রান্তের হোতা।

বিজ্ঞাপন

পদুচেরি বিধানসভার মোট আসন ৩০টি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস পেয়েছিল ১৫ আসন। কংগ্রেসত্যাগী সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামীর দল এনআর কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি আসন। এআইএডিএমকে ৪, ডিএমকে ২ ও স্বতন্ত্র ১ আসনে জয়ী হয়। কংগ্রেস-ডিএমকে জোট সরকার গড়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন নারায়ণস্বামী।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন