রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতে বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে এর আগে তিনজনকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) শারদ পাওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্সের (এনসি) প্রধান ফারুক আবদুল্লাহ ও মহাত্মা গান্ধীর নাতি গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। তাঁরা সবাই সমর্থনের কথা বললেও প্রার্থী হতে রাজি হননি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে শারদ পাওয়ারের বাসভবনে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বিরোধী দলগুলোর নেতারা বৈঠকে বসবেন বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ক্ষমতাসীন দল আজ বিকেলে বিজেপির পার্লামেন্টারি বোর্ডও বৈঠকে বসবে বলে জানিয়েছে পিটিআই।

একাধিক সূত্রের বরাতে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিতে পারেন।

ভারতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে ২৯ জুন পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে। লোকসভা, রাজ্যসভা ও সব রাজ্যের বিধানসভার আইনপ্রণেতাদের অংশগ্রহণে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুলাই। এরপর আগামী ২১ জুলাই ভোট গণনা করা হবে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ শেষ হবে ২৪ জুলাই।

সাবেক আমলা যশোবন্ত বিজেপির সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। গত বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। আজ সকালে তিনি টুইট করে ‘বিরোধীদের বড় ঐক্যের’ জন্য দলের কাজ থেকে দূরে থাকার কথা বলার পরই বিরোধীদের সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে তাঁকে নিয়ে জল্পনা বাড়ে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন