দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার কমিশনার নিরাজ ঠাকুর এনডিটিভিকে বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আফগানিস্তানের নাগরিক হজরত আলী, কাশ্মীরের বাসিন্দা রিজওয়ান আহমেদ এবং পাঞ্জাবের গুরজত সিং ও গুরদ্বীপ সিং নামের দুই ব্যক্তি। এই চক্রের সদস্যরা আফগানিস্তান, ভারত ও ইউরোপে সক্রিয়।

পুলিশ জানায়, জব্দ তালিকায় হেরোইন তৈরিতে ব্যবহৃত ১০০ কেজি রাসায়নিক দ্রব্যও রয়েছে। সব মিলিয়ে এই মাদকের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ২ হাজার ৫০০ কোটি রুপির বেশি, যা পাঞ্জাবে পাঠানো হচ্ছিল। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশ জানিয়েছে, এই মাদক আফগানিস্তান থেকে এসেছে বলে তারা ধারণা করছে। বস্তা ও কার্টনের ভেতর লুকোনো এই মাদক ইরানের চাবাহার বন্দর থেকে ভারতের জওহরলাল নেহরু বন্দর ব্যবহার করে মহারাষ্ট্রের মুম্বাইতে পাঠানো হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, প্রক্রিয়াজাত করার জন্য মাদকের কাঁচামাল মধ্যপ্রদেশের কাছে শিবপুরের একটি কারখানায় পাঠানো হয়। সেখানে আফগান বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় তৈরি করা হয় হেরোইন। পুরো প্রক্রিয়া শেষে এই মাদক দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, জম্মু, কাশ্মীরসহ ভারতের অন্যান্য স্থানে বিক্রি করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের একজন বলেন, নবপ্রিত সিং নামের এক ব্যক্তি এই মাদকচক্রের মূল হোতা। তিনি পর্তুগাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।