বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন


মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক সরকারি অনুষ্ঠানে শুক্রবার লাদাখে গিয়েছিলেন সেনাপ্রধান। এই সফরে তাঁর সঙ্গী ছিলেন এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উপরাজ্যপাল এম কে মাথুর। দুই দিনের এই সফরে সেনাপ্রধান পূর্ব লাদাখের রেজিংলাসহ কয়েকটি অগ্রবর্তী ঘাঁটি ঘুরে দেখেন।

পরে সংবাদমাধ্যম এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পূর্ব লাদাখই শুধু নয়, পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার জায়গায় জায়গায় চীন প্রচুর সেনা মোতায়েন করেছে। ভারতের পক্ষে এই সমাবেশ খুবই উদ্বেগের। তবে ভারতও বসে নেই। চীনা তৎপরতার মোকাবিলায় ভারতও ব্যবস্থা নিচ্ছে। সেনা সমাবেশ ছাড়াও নজর দিয়েছে অবকাঠামো নির্মাণ, উন্নয়ন ও সামরিক সম্ভারের ক্ষেত্রে। ভারত যেকোনো হুমকির উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত।

সেনাপ্রধান অবশ্য সংলাপের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘সংঘাতের প্রতিটি ক্ষেত্রের দিকে দুই দেশ নজর দিতে পেরেছে। এক এক করে সব জায়গাতেই সমাধানে আসা যাবে। আলোচনার মধ্য দিয়ে বিবাদ নিরসনে আমরা আশাবাদী। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ত্রয়োদশ বৈঠকে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাবে বলে আশা করছি।’

সেনা সূত্র জানিয়েছে, চীনা আক্রমণের মোকাবিলায় ভারত ইতিমধ্যেই অগ্রবর্তী ঘাঁটিতে ‘কে-৯ বজ্র’ হাউইৎজার কামান মোতায়েন করেছে। এই কামান ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে শত্রুঘাঁটিতে আক্রমণ করতে পারে। ওজন কম হওয়ায় হেলিকপ্টারে করে দুর্গম এলাকায় এই কামান নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সেনাপ্রধান এ কথা জানিয়ে বলেছেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় এই কামানের পুরো এক রেজিমেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন