বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার দুপুরে ওই হলফনামা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে মনোনয়নপত্রও দাখিল করেছেন। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর তাঁর আয় বেড়েছে ৫ লাখ রুপি। ২০২০-২১ অর্থবছরে তাঁর আয় বেড়েছে হয়েছে ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪৫ রুপি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই আয় ছিল ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭০ রুপি। আর সর্বশেষ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দেওয়া হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছিল, তাঁর আয় ৯ লাখ ১৮ হাজার ৩০০ রুপি। এবার তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৯ রুপি ৭১ পয়সা। এর মধ্যে রয়েছে ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম ওজনের অলংকার। আর ব্যাংকে রয়েছে রয়েছে ১৩ লাখ ১১ হাজার ৫১২ রুপি। গতকাল ছিল গণেশচতুর্থী। এদিনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মমতা।

এদিকে গতকাল বিজেপির প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন আইনজীবী প্রিয়াংকা টিবরিওয়াল (৪০)। অবাঙালি হলেও তাঁর জন্ম, শৈশব ও পড়াশোনা কলকাতায়। পড়াশোনা করেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এমবিএ করেছেন থাইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বর্তমানে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী। আইনে পড়াশোনা করেছেন দক্ষিণ কলকাতার ল কলেজ থেকে।

আর বাম দল প্রার্থী করেছে তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে। তিনি আগামী সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। এ নির্বাচনে কংগ্রেস কোনো প্রার্থী দেয়নি। কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী বলেছেন, তাঁর দল মমতাকে সমর্থন দেবে; যদিও রাজ্য কংগ্রেস প্রার্থী দিতে চেয়েছিল।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঁড়িয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে। সেই আসনে তিনি ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। তবে ভারতের সংবিধান মেনে তৃণমূল কংগ্রেস মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসায়। সাংবিধানিক বিধি হলো, ওই পদে বসার পর ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসন থেকে জিতে আসতে হবে। তাই তাঁকে জিতিয়ে আনতে ভবানীপুর আসনের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। এই শূন্য আসনে উপনির্বাচন হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। এই আসনেই ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন