বিজ্ঞাপন

গতকালই সিধুর টুইট তাঁর দলবদলের সম্ভাবনা নতুন করে উসকে দিয়েছে। টুইটে তিনি আম আদমি পার্টির প্রশংসা করে বলেছেন, পাঞ্জাবে তিনি কী করতে চান, ওই বিরোধী দল তা জানে। তাঁর মতাদর্শকে মান্যতাও দেয়। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালও সম্প্রতি বলেছেন, তাঁর দল ক্ষমতায় এলে একজন শিখ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হবেন। এই পরিস্থিতিতে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে রাহুলের বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

default-image

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ে প্রশান্ত কিশোরের অবদান অনস্বীকার্য। বিজেপিকে রুখে দেওয়ার পর এক মাস ধরে তিনি একাধিকবার বৈঠক করেছেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের সঙ্গে। অনেকের ধারণা, বিজেপিবিরোধী ঐক্যে তিনি অনুঘটকের কাজ করছেন। রাহুলের সঙ্গে বৈঠক কার আগ্রহে, তা এখনো জানা যায়নি।

রাহুল অবশ্য ২০১৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে প্রশান্তর সাহচর্য নিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটের আগেই মতপার্থক্যের দরুন প্রশান্ত সরে আসেন। কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করতে তাঁর অসুবিধা ও আড়ষ্টতার কথাও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন। ফলে এই বৈঠকের কারণ কী, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গেছে।

একটি মহলের মতে, ওই বৈঠকে মূলত পাঞ্জাবের ভোট নিয়েই দুই তরফে কথা হয়। বিশেষ করে সিধুর সম্ভাব্য দলত্যাগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে। এক সূত্র অনুযায়ী, রাহুলের সঙ্গে বৈঠকের একপর্যায়ে পাঞ্জাবের ভারপ্রাপ্ত নেতা উত্তরাখন্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত উপস্থিত হন। প্রশান্ত কয়েক দিন আগে অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন