বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছর সাপের কামড়ে উথরা মারা যাওয়ার পর সুরুজ কুমারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে উথরার মৃত্যুতে তাঁর পরিবার সুরুজের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনে।

গত বছরের মে মাসে ২৫ বছর বয়সী উথরাকে নিজ বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বিছানায় একটি কোবরা তাঁকে দংশন করেছিল। এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ হয় তাঁর পরিবারের সদস্যদের। এর আগেও একবার সাপের কামড়ে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

পুলিশ জানায়, সাপের কামড়ের দুটি ঘটনার পেছনেই সুরুজের হাত ছিল বলে তাদের তদন্তে উঠে আসে। এসব সাপ সংগ্রহে সুরুজকে সাহায্য করা এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এতে রহস্যের জট খোলে।

খবরে বলা হয়, এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশ আদালতে হাজার পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের কাহিনি বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

এদিকে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এটিকে ‘বিরল ঘটনার মধ্যেও বিরল’ বলে উল্লেখ করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি)। তিনি সুরুজকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি করেন। এটি যে একটি বিরল ঘটনা, সে বিষয়ে বিচারকও একমত হন। তবে সুরুজকে দুবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন তিনি। একই সঙ্গে পাঁচ লাখ রুপি জরিমানা করেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন