২০২২ সালের হিসাবে আদানি গোষ্ঠীর কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বৃদ্ধির কারণে গৌতম আদানির সম্পদ ১১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর তাঁর সম্পত্তিতে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৮৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা যুক্ত হয়েছে। আদানি গ্রুপের ৬০ বছর বয়সী চেয়ারম্যান গৌতম আদানি ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ কোটি রুপির সম্পদ নিয়ে ভারতের ধোনী তালিকার শীর্ষস্থানে চলে এসেছেন। আর গত ৫ বছর গৌতম আদানির সম্পদ ১ হাজার ৪৪০ শতাংশ বেড়েছে।

default-image

আইআইএফএল ওয়েলথ হুরুন ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদানি গোষ্ঠীর সাতটি পাবলিকলি ট্রেড কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য, গত কয়েক বছর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত পাঁচ বছরে গৌতম আদানি দ্বিতীয় স্থান থেকে ভারতের ধনী তালিকায় প্রথম স্থানে উঠে এসেছেন। গত পাঁচ বছরের তুলনা করলে কিছু ধনকুবেরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাঁদের কোম্পানিগুলো অভূতপূর্ব গতিতে সম্পদ তৈরি করার ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। গৌতম আদানি এবং তাঁর ভাই তাঁদের মধ্যে সব থেকে বেশি উল্লেখযোগ্যভাবে র‌্যাঙ্কিংয়ে উঠে এসেছেন। গৌতম আদানি ২০১৮ সালের অষ্টম স্থান থেকে বর্তমানে ১ নম্বরে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে তাঁর ভাই বিনোদ আদানি ৪৯তম স্থান থেকে উঠে এসেছেন ৬ নম্বরে।

এ প্রসঙ্গে হুরুন ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান গবেষক আনাস রহমান জুনাইদ বলেন, ভারতের সম্পদ সৃষ্টির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ২০২২ সাল আদানির জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কয়লা, বন্দর, জ্বালানি শক্তিতে দ্রুততার সঙ্গে ব্যবসা বেড়েছে। আদানি একমাত্র ভারতীয় ব্যক্তি, যার সাতটি সংস্থার বাজারমূল্য এক লাখ কোটি রুপির বেশি।

আদানি গ্রুপের সাতটি তালিকাভুক্ত কোম্পানির সব কটিতেই ভারতীয় শেয়ার বেড়ে যাওয়ায় নিজেদের জায়গা আদানি শক্ত করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও অনেকে বলেন, আদানি গোষ্ঠীর উত্থানের পেছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় ভূমিকা রয়েছে।

সম্প্রতি সিমেন্ট ব্যবসায় পা রেখেছেন গৌতম আদানি। আম্বুজা ও এসিসি সিমেন্ট কোম্পানি কিনে নিয়েছেন আদানি। শুধু তাই নয়, এরপরই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক গোষ্ঠীতে পরিণত হলো আদানি শিল্পগোষ্ঠী।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন