দুর্নীতির অভিযোগে হেমন্ত জেরবার হচ্ছেন বেশ কিছুদিন ধরেই। কিছুদিন আগে ভারতের নির্বাচন কমিশন তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছিল। অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী থাককালে তিনি নিজের নামে পাথর খাদানের ইজারা নিয়েছিলেন, যা বেআইনি। আরও অভিযোগ, তিনি তাঁর স্ত্রী ও কিছু ঘনিষ্ঠকে সরকারি জমি বরাদ্দ করেছেন। রাজনৈতিক সঙ্গী পঙ্কজ মিশ্র ও মিডিয়া উপদেষ্টা অভিষেক প্রসাদকে খনির ইজারা দিয়েছেন।

একটি সংস্থাকে ১১ একর জমি বরাদ্দ করা হয়, যার মালিকানা নাকি তাঁর স্ত্রীর নামে। রাঁচিতে মাংস প্রক্রিয়াকরণের জন্য ওই জমি বরাদ্দ করা হয়। ইডির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে রাজ্যে বেআইনিভাবে বিভিন্ন খনি ইজারা দেওয়ার কাজ তদারকি করেন পঙ্কজ। গত জুলাই মাসে তল্লাশির পর বিভিন্ন ব্যাংক খাতায় ইডি প্রায় ১২ কোটি রুপির সন্ধান পায়। পঙ্কজের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আরও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি রুপি, যা কীভাবে অর্জিত তার সদুত্তর ইডি পায়নি।

ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ইডির যাবতীয় অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে জানিয়েছে, রাজনৈতিক স্বার্থে ইডি এই হয়রানি করছে। দলের নেতাদের দাবি, কয়েক মাস আগে সরকার পতনে বিজেপির চাল ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে নানাভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। সে সময় রাজ্যের তিন কংগ্রেসি বিধায়ককে প্রচুর টাকাসহ পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জেএমএমের অভিযোগ, দেশের যেসব রাজ্যে অবিজেপি সরকার রয়েছে, ইডি, সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো সেখানে তৎপর।