১১ জুলাই ২০০২ সালের আইনবহির্ভূতভাবে অর্থ আনার (প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট, ২০০২)–এর দুই এবং তিন ধারায় তাঁদের হালদার এবং তাঁর সহযোগীদের নামে অভিযোগ গঠন করা হয়। তবে সেই অভিযোগপত্রে কী আছে, তা এখনো পর্যন্ত খুব স্পষ্ট নয়। এ মামলা এখন দীর্ঘদিন চলবে বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে হালদার বা তাঁর সহযোগীদের কবে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে, তা অস্পষ্ট।

পি কে হালদার এবং তার সহযোগীদের নামে ১৯৮৮ সালের দুর্নীতি দমন আইন এবং ২০০২-এর প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়েছে।

গত ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করে ভারতের আর্থিক দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তারা পি কে হালদারের পাঁচ সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের আগে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পি কে হালদারের প্রাসাদসম বাড়িসহ অনেক সম্পদের সন্ধান পায় ইডি।

গত ৭ জুন ইডি আদালতকে জানায়, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় পি কে হালদারসহ তাঁর সহযোগীদের ৮৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে তারা। পি কে হালদার ও তাঁর সহযোগীদের ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়ার কথাও আদালতকে জানিয়েছে ইডি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন