নলিনী বলেন, তাঁরা (স্বজন) তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। তাঁরা একসময় এই ট্র্যাজেডি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।

১৯৯১ সালের ২১ মে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের শ্রীপেরুমবুদুরে এক নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন রাজীব গান্ধী। এ সময় শ্রীলঙ্কার লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) এক সদস্যের আত্মঘাতী বোমা হামলায় রাজীব গান্ধী নিহত হন। এ ছাড়া হামলাকারী ধানুসহ ১৬ জন ঘটনাস্থলে নিহত হন।

রাজীব গান্ধী হত্যায় নলিনীসহ ধৃত সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ২০০০ সালে রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধীর হস্তক্ষেপে নলিনীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়।

২০০৮ সালে ভেলোর জেলে গিয়ে নলিনীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন রাজীব গান্ধীর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পরে তিনি ও তাঁর ভাই রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, বাবার হত্যাকারীদের তাঁরা ক্ষমা করে দিয়েছেন।

২০১৪ সালে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার হস্তক্ষেপে বাকি ছয় অপারাধীরও সাজা মৃত্যুদণ্ড থেকে কমে যাবজ্জীবন হয়। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত গত মে মাসে আসামি পেরারিভালানকে মুক্তি দেন। আর এখন বাকিরাও মুক্তি পেলেন।